টুটু বোস (Tutu Bose Death) নামটাই যথেষ্ট। তাঁর প্রয়াণে এক যুগের অবসান। ত্রাতা হারা মোহনবাগান। প্রয়াণের খবর মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন অগণিত মোহনবাগান ভক্ত থেকে সমর্থকরা। মন খারাপ সাধারণ মানুষের।
মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বপন সাধন বোস। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সকাল সকাল সোশ্যাল সাইটে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)।
আরও ভিডিও
বুধবার সকালে মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতির দেহ শায়িত ছিল তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে। শেষবার চোখে দেখতে উপস্থিত হন মুনমুন সেন ও তাঁর মেয়ে রাইমা সেন। শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে আসেন বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত থেকে ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য। একসময়ের বন্ধুকে দেখতে উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।
শহরের বুকে একের পর এক ইতিহাস তৈরি হয়েছে তাঁর হাত ধরে। সকাল ১১ টা নাগাদ সেই রাজার স্বর্গরথ এসে পৌঁছয় সংবাদ প্রতিদিনের দফতরে। একবার শ্রদ্ধা জানাতে ততক্ষণে উপস্থিত বহু ভক্ত থেকে দফতরের কর্মীরা।
সংবাদ প্রতিদিনের দফতর থেকে সোজা গন্তব্য ভবানীপুর ক্লাব।
সকাল ১১ টা ৪৫ নাগাদ তাঁর প্রাণের মোহনবাগান ক্লাবে পৌঁছয় নিথর দেহ। টুটুহীন বাগানে যেন লাল, সবুজ, গেরুয়া মিলে মিশে একাকার। বিধানসভায় শপথগ্রহণের পর ক্লাবে চলে আসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, টুটুবাবুকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে। ছিলেন নিশীথ প্রামাণিক থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়-সহ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।
শ্রদ্ধা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।
চোখের জলে একসময়ের রাজার শেষ বিদায়। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।