'হিন্দুদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে'
"ভয়াবহভাবে বদলেছে জনবিন্যাস। বাংলার নিরাপত্তা বিঘ্নিত। তাই ভারত সরকার অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করছে। ভারতই নয়, দুনিয়ার সমস্ত বড় বড় দেশ তাই করছে। শুধু বাংলার তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাচ্ছে। শরণার্থী হিন্দুদের নাগরিকত্ব কেড়ে অনুপ্রবেশকারীদের দেবে। কারণ এদের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে তৃণমূল। তুষ্টিকরণের খেলায় বাংলার ছবি পালটে দিচ্ছে। ইস্তেহার বাংলা শব্দ নয়। লাল ইস্তেহার ছিল ব্রিটিশ ভারতের ধর্মবিদ্বেষী সরকারের। এরা সেটাই বের করেছে। এরা বাংলার পরিচয় বদলে দিচ্ছে। বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুযজন হিন্দুদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে।"
মোদির মুখে আলুচাষিদের কথা
"২০২১ সালে মেখলিগঞ্জে ৩০০ একর জমিতে শিল্পের ঘোষণা। ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও একটি ফ্যাক্টরিও হয়নি। বাংলার মানুষ তৃণমূলের সিন্ডিকেটে অতিষ্ট। কৃষকরা ফসলের সঠিক দাম পান না। আলুচাষিদের কষ্টও বুঝতে পারি। আলুচাষিরা ফসল বেচে লাভ পান না। তৃণমূল সরকার আলুচাষিদের কথা ভাবেননি। আলুর ক্রয় করার মতো বড় উদ্যোগ নেই। চিপস তৈরির কারখানা নেই। তাই বিক্রি না হওয়া ফসল পচে যাচ্ছে।"
মালদহের মোথাবাড়িকাণ্ড নিয়ে চড়া সুর মোদির
"বাংলার সুরক্ষার দায়িত্ব এদের থেকে আশা করা যায় না। মালদহ যা হল, তৃণমূলের জঙ্গলরাজ। মহা জঙ্গলরাজ। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের এভাবে নিশানা করা হয়? তৃণমূলের পাপের ঘড়া পূর্ণ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলার শবযাত্রা বের করেছে তৃণমূল। যেখানে বিচারকরা সুরক্ষিত নন, সেখানে সাধারণ মানুষের কী হবে? গোটা দেশ দেখেছে কীভাবে বিচারপতিদের উপর হামলা হয়েছে।"
সভাস্থলের উদ্দেশে রওনা প্রধানমন্ত্রীর
কোচবিহার রাসমেলা ময়দানের কাছেই কপ্টার নামল মোদির। সেখান থেকে গাড়িতে রওনা সভাস্থলের উদ্দেশে। কোচবিহারে আজ ১২ বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে বাংলায় মোদি। সভায় যোগদানের আগে এদিন কোচবিহারের ছবি পোস্ট করে টুইটে মোদি লেখেন, 'এই ছবিগুলোই বলে দিচ্ছে এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পক্ষে জোরালো হাওয়া বইছে... মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করতে চলেছে।'
মহিলাদের প্রতিমাসে ৩ হাজার: শমীক
তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন শমীক ভট্টাচার্য। বলেন, "লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ১৫ টাকা আর বাড়াতে পারছেন না। লক্ষ্মী হাত তুলে নিয়েছেন। তাই মানুষ ঠিক করেছেন এবার এগের সরাতে হবে। জুন মাস থেকে নতুন সরকার মহিলাদের প্রতিমাসে অন্নপূর্ণা প্রকল্পে ৩ হাজার টাকা করে দেবে। কোচবিহারের মাটি বিপ্লবের মাটি, এই মাটি ভূমিপুত্র রাজবংশীদের মাটি। আজ কিছু দল এই মাটি কেড়ে নিতে চাইছে।"
অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে শমীক বলেন, "বিনা যুদ্ধে ভারত দখল করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা মাটি দখল করেছে। আমরা লড়াই করছি। এবার তৃণমূলের বিসর্জন।"
দিলীপ শুভেন্দুর সমর্থনেও সভা করতে পারেন মোদি
জোড়া কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে। আর দিলীপ ঘোষ প্রার্থী তাঁর পুরনো কেন্দ্র খড়গপুর সদরে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সমর্থনে কাঁথিতে একটি জনসভা করতে পারেন মোদি। পাশাপাশি দিলীপের সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী আরেকটি জনসভা করবেন খড়গপুরে বলে খবর। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ মিলিয়ে কমপক্ষে একডজন জনসভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
মোদির সভায় থাকবেন ২ গ্রেটার নেতা?
রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ। অথচ মাঝেমধ্যেই পদ্মশিবিরের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ করে দলকে বিব্রত করেন। আবার রাজ্য সরকারের বঙ্গবিভূষণের মঞ্চেও তাঁর উজ্জ্বল উপস্থিতি। ভোটমুখী কোচবিহারে সেই অনন্ত মহারাজকে নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রবিবার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে কোচবিহারে জনসভা করবেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সভায় কি আদৌও থাকবেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ নগেন্দ্র রায় ওরফে অনন্ত মহারাজ? শুক্রবার রাতে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাক্ষাতে স্বাভাবিকভাবেই তুঙ্গে জল্পনা।
জোরকদমে উত্তরে প্রচার চালাচ্ছে গেরুয়া শিবির
পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণার আগের দিনই ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বঙ্গ বিজেপির প্রচার প্রাচুর্য এবং আবহ তৈরি সত্ত্বেও সেই সভা কার্যত পর্বতের মূষিক প্রসব হয়ে দাঁড়ায়। এই প্রেক্ষাপটে আজ রবিবার কোচবিহারের রাসমেলা মাঠে 'বিজয় সংকল্প সভা' করবেন প্রধানমন্ত্রী। গত কয়েকটি নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছে। এবারও তাই জোরকদমে উত্তরে প্রচার চালাচ্ছে গেরুয়া শিবির।
নিবেদিত


