শপথগ্রহণে রয়েছেন কারা
ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা প্রফুল প্যাটেল, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি, শিবরাজ সিং চৌহান, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিঠুন চক্রবর্তী-সহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।
কলকাতায় যান নিয়ন্ত্রণ
কলকাতার বেশ কয়েকটি রাস্তায় পার্কিংয়ের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের পাশের রাস্তা এজেসি বোস রোডের কিছু অংশ থেকে হেস্টিংস ক্রসিং, ক্যাথিড্রাল রোড, খিদিরপুর রোড, হসপিটাল রোড, কুইনস্ ওয়ে, লাভার্স লেনের পাশে গাড়ি পার্কিং করা যাবে না। এছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও বেশ কয়েকটি রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে।
কোথাও কোনও অশান্তি হয়নি: শুভেন্দু
কোথাও কোনও অশান্তি হয়নি। ২০২১ এবং ২০২৩ এর উদাহরণ তুলে ফের একবার তৃণমূলকে তোপ দাগলেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম থেকে ফিরেই আজ, বুধবার কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে যান তিনি। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হওয়ায় কমিশনকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু। সঙ্গে আরও একবার মনে করিয়ে দেন, তৃণমূল সরকারের আমলের দুর্নীতি ও অমীমাংসিত মামলার ফাইল ফের খোলা হবে। এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পঞ্চায়েতের দখল ঘিরে রণক্ষেত্র
ঘুটিয়ারি শরিফ নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রণক্ষেত্র। রাতারাতি বিজেপি ঝান্ডা লাগিয়ে দেয় এলাকাজুড়ে। আর এই ঝান্ডাকে সামনে রেখেই পঞ্চায়েত দখল করার চেষ্টা চলছিল ঘুটিয়ারি শরিফে। এলাকায় নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের যখন দখল নিতে যায় স্থানীয় বেশ কিছু মানুষজন, তখন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেয়।
বিজেপির মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য কারা?
সূত্রের খবর, নিশীথ প্রামাণিক এবং শংকর ঘোষকে রাখা হতে পারে মন্ত্রিসভায়। নিশীথ পেতে পারেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের মন্ত্রিত্ব। শংকর ঘোষও হতে পারেন ওই দপ্তরেরই মন্ত্রী। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী হতে পারেন অশোক দিন্দা। সাংস্কৃতিক জগতে বিচরণের জন্য তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী হতে পারেন রুদ্রনীল ঘোষ। স্বপন দাশগুপ্তকে শিক্ষামন্ত্রী করা হতে পারে। জগদ্দলে জয়ী প্রাক্তন আইপিএস অফিসার রাজেশ কুমারও পেতে পারেন মন্ত্রিত্ব। রাজারহাট-নিউটাউন থেকে জয়ী পীযূষ কানোরিয়াকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করা হতে পারে। মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন বেশ কয়েকজন মহিলাও।
শনিবার ব্রিগেড ময়দানে নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণে মোদি-শাহ
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দিনেই পড়ল সিলমোহর। রবীন্দ্রজয়ন্তীতেই হতে চলেছে বিজেপির নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ। অনুষ্ঠানে থাকবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা, বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন থাকবেন। এছাড়াও থাকবেন বিজেপি শাসিত ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ বহু বিজেপি সাংসদরাও।
ভোট পরবর্তী হিংসার বলি বিজেপি কর্মী!
রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার বলি বিজেপি কর্মী। মঙ্গলবার বিকেলে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নিউটাউন চত্বর। কাঠগড়ায় তৃণমূলের দাপুটে নেতা। অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ইম্পা দখল বিজেপির
মঙ্গলবার সকালেই জানা যায় যে, রাজ্য রাজনীতির পালাবদলের আবহে বিশেষ আলোচনার জন্য পিয়া সেনগুপ্তকে চিঠি মারফৎ আগামী ৭২ ঘণ্টা মধ্যে বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। সেই চিঠিতে সাক্ষর করেছিলেন রতন সাহা, মিলন ভৌমিক, কৃষ্ণনারায়ণ দাগা, গৌতম দাস, কবিতা নষ্কর, মৃত্যুঞ্জয় রায় এবং শতদীপ সাহা। এরপর বিকেলে ইম্পার অফিসে সভাপতি পিয়াকে ঘিরে চূড়ান্ত বিক্ষোভ দেখান টলিপাড়ার বিজেপি সমর্থকরা।
সাংবাদিক বৈঠকে মমতা-অভিষেক
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাশে নিয়ে মমতা বলেন, "আমি এখন মুক্ত বিহঙ্গ। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মিলে খেলা খেলেছে বিজেপি। ১০০ আসন লুট করা হয়েছে। কাউন্টিংয়ে খেলা হয়েছে। আইএএস, আইপিএসদের সব বদলে দিয়েছে। ছাত্র জীবন থেকে রাজনৈতিক জীবন এমন নির্বাচন দেখিনি। সব সন্ত্রাসকে ছাপিয়ে গেল। ইন্ডিয়া জোটকে শক্ত করব।"
হিংসা রুখতে সচেতনতার বার্তা কলকাতা পুলিশের
বিভিন্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল করা হচ্ছে সেই সময় ছবি-ভিডিও। তা নিয়ে জনমানসে ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। আর এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু খবর, ভিডিও ভাইরাল করা হচ্ছে। তা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে সমাজমাধ্যমে কড়া বার্তা দিল কলকাতা পুলিশ।
মমতার বাড়ির সামনে থেকে উঠল গার্ডরেল
রাজ্যে ভোটপর্ব মিটেছে। বিপুল ক্ষমতা নিয়ে বাংলার ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। নিজের গড় ভবানীপুর থেকে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাতে এই ফলাফলের পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই কালীঘাটে পরিবর্তনর হাওয়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে সুরক্ষার জন্য রাখা গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হল। সেই রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে আর বাধা নেই।
নিবেদিত


