Advertisement
Advertisement
Suvendu Adhikari

মধ্যরাতে উৎসব শান্তিকুঞ্জে! কাঁথি ফিরে জনজোয়ারে ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত জমায়েত বাড়ির সামনে। রাত ২টোয় শুভেন্দু তাঁদের সঙ্গে দেখা করে বললেন, 'রাত হয়েছে, এবার বাড়ি যান।'

রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৬:৪৪

link
রঞ্জন মহাপাত্র
রঞ্জন মহাপাত্র

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৬:৪৪

options
link
মধ্যরাতে উৎসব শান্তিকুঞ্জে! কাঁথি ফিরে জনজোয়ারে ভাসলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু zoom
মাঝরাতে কাঁথির বাড়িতে পৌঁছে জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিজস্ব ছবি
Advertisement

ঘরের ছেলে, পাড়ার ‘বুবাই’ আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী! এই আনন্দ, এই উচ্ছ্বাস বাঁধভাঙা হবে, সেটাই স্বাভাবিক। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার জন্য এলাকায় জনসমাগম উপচে পড়বে, তাও স্বাভাবিক। কিন্তু যা চমকপ্রদ, তা হল সন্ধ্যা থেকে কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জে’র সামনে অপেক্ষমান মানুষের ভিড়ের ছবিটা একই রয়ে গেল রাত ২টো পর্যন্ত! শনিবার যখন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) কনভয় এসে দাঁড়াল পাড়ার মোড়ে, তখন ঘড়িতে রাত ২টো। সমবেত জনতা তখন ফুল, মালা, মিষ্টিমুখ, স্লোগানে স্বাগত জানান নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। মধ্যরাতে একেবারে উৎসবের আমেজ পাড়ায়। শুভেন্দু নিজেও ভাসলেন আবেগে। এই-ই তো তাঁর আপনঘর, আপনজন।

শনিবার সকালে ব্রিগেডে শপথের পর দিনভর নানা কাজ সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শেষবেলায় কালীঘাটে পুজো দিয়ে যখন কলকাতা থেকে কাঁথির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি, তখন ঘড়িতে ১০টা বেজে গিয়েছে। দীর্ঘ রাস্তা পেরিয়ে কাঁথি পৌঁছতে পৌঁছতে রাত ২টো। শুভেন্দুর বাসভবন ‘শান্তিকুঞ্জ’ তো বটেই, পাড়ার মোড়েও তখন বিশাল ভিড় জনতার। সেই ভিড় ঠেলে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঢুকতেই ওঠে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান। গাড়ি আর বেশি এগোতে পারেনি। বাড়ির কিছুটা আগেই গাড়ির দরজা খুলে গাড়িতে দাঁড়িয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেউ তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে দেন, কেউ বা পুষ্পস্তবক এগিয়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শুভেন্দু অধিকারী কাঁথিতে পা রেখে এভাবেই ভাসলেন সংবর্ধনার আর জনজোয়ারে। সকলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। তারপর জনতার উদ্দেশে হাতজোড় করে বলেন, ‘‘অনেক রাত হয়েছে, এবার আপনারা বাড়ি যান।”

Advertisement

ছেলের এত বড় সাফল্যের জন্য এত বছরের অপেক্ষা। মুখ্যমন্ত্রী ছেলেকে ঘরে স্বাগত জানাতে গভীর রাত পর্যন্ত জেগেছিলেন বাবা শিশির অধিকারী ও মা গায়ত্রী অধিকারী। ছেলের এই সাফল্যই যেন এই বয়সেও তাঁদের যাবতীয় ক্লান্তি কাটিয়ে দিয়েছে। বাড়িতে পা রেখে বাবা-মাকে প্রণাম করেন ‘বুবাই’। ছোটবেলার বন্ধুরা বলছেন, ও (শুভেন্দু অধিকারী) বরাবর খুব জেদি। যে কাজ করবে বলে স্থির করে, তা করেই ছাড়ে। আর এই জেদই আজ তাঁকে এই সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিয়ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.