ভোটযুদ্ধ আসন্ন বঙ্গে। মাস পেরলেই সম্ভবত নির্বাচন শুরু হয়ে যাবে। তার আগে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক শিবিরগুলিতে প্রচারের পারদ চড়ছে। দিল্লি থেকে বিজেপির শীর্ষ নেতা, মন্ত্রীদের ‘ডেলি প্যাসেঞ্জারি’ প্রায় শুরু হয়ে গিয়েছে। এবারের নির্বাচনে বঙ্গে পদ্ম ফোটাতে পরিবর্তন যাত্রার মাধ্যমে গোটা রাজ্য চষে বেড়াচ্ছে বিজেপি। গত ২ মার্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি থেকে সেই পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারই পালটায় রবিবার সেই মাঠেই জনসভা করলেন তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন বিধানসভা ভোটে বিজেপির আসন সংখ্যা পঞ্চাশে নামিয়ে আনবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন। তাঁর সভায় জনতার ভিড় দেখে বললেন, ”চিত্রগ্রাহক বন্ধুদের বলব, আমাকে না দেখিয়ে ১০-১৫ মিনিট এই ভিড়টা দেখান। দেখলেন তো? এটা ট্রেলার। এখন ট্রেলার দেখালাম, মে মাসে সিনেমাটা দেখাব।”
তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চ্যালেঞ্জ, আসন্ন বিধানসভা ভোটে বিজেপির আসন সংখ্যা পঞ্চাশে নামিয়ে আনবেন। সভায় জনতার ভিড় দেখে বললেন, ”চিত্রগ্রাহক বন্ধুদের বলব, আমাকে না দেখিয়ে ১০-১৫ মিনিট এই ভিড়টা দেখান। দেখলেন তো? এটা ট্রেলার। এখন ট্রেলার দেখালাম, মে মাসে সিনেমাটা দেখাব।”
আরও পড়ুন:
রবিবার মথুরাপুরে জনসভা পূর্বনির্ধারিতই ছিল। গত ২ মার্চ রায়দিঘির এই মাঠ থেকেই অমিত শাহ পরিবর্তন যাত্রা শুরু করেছিলেন। সেখানে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে বদলের ডাক দেন। স্লোগান তোলেন – ‘পালটানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার।’ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পরিবর্তন যাত্রা চলছে। তা শেষ হবে ১৪ মার্চ, ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা দিয়ে। অথচ কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বঙ্গজয়ের স্বপ্নে বুঁদ বিজেপির এই পরিবর্তন যাত্রা অনেকাংশে ‘ফ্লপ’। দিল্লি শীর্ষ নেতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থেকে শুরু করে বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের হাইপ্রোফাইল মুখ্যমন্ত্রীরা এতে শামিল হলেও সমর্থকদের তেমন সাড়া নেই। সভায় মাঠ ফাঁকা। তা দেখে কখনও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বঙ্গের গেরুয়া নেতারা।
সেই হতশ্রী দশা তুলে ধরে এদিন মথুরাপুরের জনসভায় কটাক্ষ করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ”আপনার সভায় কত লোক ছিল? এখানকার ছবিটা দেখুন। আমি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরাম্যানদের বলব, এই ভিড়ের ছবিটা একটু দেখান। তাহলেই তারা (বিজেপি) বুঝতে পারবে জনসমর্থন কোন দিকে। জেনে রাখুন, নারীশক্তি আমাদের সঙ্গে। আর নারীশক্তি সঙ্গে থাকলে কেউ হারাতে পারবে না।” এরপরই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ”বিজেপিকে ৫০-এর নিচে নামাব। আগেরবার ‘দোসো পার’ বলে ৭৭ আসন পেয়েছিল। এবার আরও কমবে। জনতা আপনাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। বারবারই আপনারা এখানে রাজনৈতিকভাবে হেরে যান। আর তাই অন্যভাবে বাংলাকে অপদস্ত করেন। এবার এসআইআরের মাধ্যমে সেটা করতে চাইছেন। কিন্তু যতদিন আপনাদের এই অত্যাচার চলবে, ততদিন তৃণমূল কংগ্রেস জনতার স্বার্থে রাস্তায় থাকবে। এখন ধর্মতলায় যেমন আমাদের নেত্রী ধরনা কর্মসূচি চালাচ্ছেন।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
নিবেদিত


