Advertisement
Advertisement
Abhishek Banerjee

‘ফার্স্ট হতে হবে’, ভবানীপুরে মমতার কর্মিসভায় দলকে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক

রবিবার চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভা দিয়েই ভবানীপুরে প্রচার শুরু করলেন 'ঘরের মেয়ে' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৩:২২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৩:২২

options
link
‘ফার্স্ট হতে হবে’, ভবানীপুরে মমতার কর্মিসভায় দলকে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক zoom
ভবানীপুরে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব ছবি

নিজের কেন্দ্র হাইভোল্টেজ ভবানীপুর থেকেই ছাব্বিশের নির্বাচনী (Bengal Election 2026) প্রচার শুরু করে দিলেন ‘ঘরের মেয়ে’ তথা রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে স্থানীয় কাউন্সিলর, ব্লকস্তরের নেতা, দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে কর্মিসভা সারলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর এখান থেকেই দলের নেতা-কর্মীদের  ভবানীপুরে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বললেন,  “কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে। ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জিততে হবে।” 

ভবানীপুরে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন,  “কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে। ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জিততে হবে।” ভোটে জেতার টার্গেট বেঁধে দিয়ে উপস্থিত দলের কর্মী, নেতাদের প্রতি তাঁর সতর্কবার্তা, আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। 

অভিষেকের কথায়, ”কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে।” ৬০০০০-এর বেশি ভোটে জেতার টার্গেট বেঁধে দিয়ে উপস্থিত দলের কর্মী, নেতাদের প্রতি তাঁর সতর্কবার্তা, আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। পাশাপাশি, ‘জননেত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধারণ জীবনযাপনের কথা তুলে ধরে অভিষেকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন। ফের সরব হন কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে। তাঁর কথায়, ”কেন্দ্রীয় বঞ্চনা আমরা ভুলতে পারি না। যাদের এতদিন খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারা এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। এগুলো মানুষকে বোঝান। আমাদের সরকারের প্রকল্পের পাশাপাশি মোদির প্রকল্পের কী পার্থক‌্য মানুষকে বলুন। কোথাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছে? একবার নয়, মানুষের কাছে আমাদের তিনবার করে যেতে হবে। ‘দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা’ নিয়ে মানুষের কাছে যান।”

Advertisement
চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সুখময় সেন

এবারের নির্বাচনী লড়াইয়ে এসআইআর বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে। এসআইআরের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে কমবেশি ৪৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কারও কারও নাম বিচারাধীন। এর পিছনে কমিশন-বিজেপির যৌথ আঁতাঁত দেখছে শাসক শিবির।

ছাব্বিশের ভোটে সবচেয়ে হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুর। এখানে মুখোমুখি নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে ভবানীপুর বরাবর তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। একুশের উপনির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫৯ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। সেই টার্গেট ছাব্বিশে আরও বাড়াতে হবে বলে অভিষেক নির্দেশ দিয়েছেন। আসলে এবারের নির্বাচনী লড়াইয়ে এসআইআর বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে। এসআইআরের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে কমবেশি ৪৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কারও কারও নাম বিচারাধীন। এর পিছনে কমিশন-বিজেপির যৌথ আঁতাঁত দেখছে শাসক শিবির। ফলে ভবানীপুরের ভোট নিয়ে বাড়তি প্রস্তুতি। 

ইতিমধ্যেই ‘উন্নয়ন ঘরে ঘরে/ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে’ – দলনেত্রীর প্রচারে ভবানীপুরের তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা স্লোগানে ঝড় তুলেছেন। কিন্তু প্রচারকাজ এখানেই সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। প্রয়োজনে একবারের জায়গায় তিনবার মানুষের দুয়ারে গিয়ে বোঝাতে হবে। উন্নয়ন কর্মের রিপোর্ট কার্ড নিয়ে প্রচার করতে হবে বলে পরামর্শ অভিষেকের। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.