Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

‘কমিউনিস্টরা এর চেয়ে ভালো ছিল’, তৃণমূলকে বিঁধতে গিয়ে ‘শাহী’ মন্তব্যে ফের রাম-বাম আঁতাঁত!

Amit Shah: তৃণমূল বিরোধিতায় বামেদের একাংশ নিজেদের ভোটে বিজেপির ঝুলি ভরিয়ে দেওয়ার বার্তা দিয়েছিল, তা আর গোপন নয়। ছাব্বিশের ভোটের আগে ফের তা মনে করালেন শাহ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ২৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ২৩:২৪

options
link
‘কমিউনিস্টরা এর চেয়ে ভালো ছিল’, তৃণমূলকে বিঁধতে গিয়ে ‘শাহী’ মন্তব্যে ফের রাম-বাম আঁতাঁত! zoom
ফাইল ছবি

মূল উদ্দেশ্য সবরকমভাবে তৃণমূলের বিরোধিতা করা। আর নির্বাচনী ময়দানে এনিয়ে আবার প্রগতিশীল বামপন্থীদের কোনও ছুঁৎমার্গ নেই। প্রয়োজনে ধর্মীয় বিভেদকারী বিজেপির হাত ধরতেও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’রা কুণ্ঠা করেন না। বঙ্গে আবার সিপিএম সরকার পতনের পর রাম-বাম তত্ত্ব সামনে এসেছে। তৃণমূলকে হারাতে বামপন্থীদের একাংশ নিজেদের ভোটে বিজেপির ঝুলি ভরিয়ে দেওয়ার পথেও হেঁটেছে। তা আর গোপন নেই। এই পরিস্থিতিতে ছাব্বিশের ভোটের আগে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর গলায় বামেদের প্রশংসা শুনে অনেকেই মনে করছেন, রাম-বাম আঁতাঁত আরও জোরাল হল। যদিও ‘শাহী’ মন্তব্যের পালটা সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া, ”অমিত শাহর থেকে  কোনও সার্টিফিকেট চাই না।”

শিলিগুড়ির কর্মিসভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘কমিউনিস্টদের থেকে মুক্তি পেতে তৃণমূল সরকারকে এনেছিল বাংলার মানুষ। কমিউনিস্টরা এর চেয়ে ভালো ছিল। তৃণমূল এসে ওদেরও ভাল করে দিয়েছে। বাম সরকার বাংলাকে পিছনে ফেলে দিয়েছিল, তৃণমূল তাকে আরও পিছিয়ে দিয়েছে। এবার তৃণমূলকে বিদায় নিতে হবে। বছরটা আপনার (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) টা টা বাই বাই বলার সময়।” তৃণমূলের ক্যাচলাইন ‘মা-মাটি-মানুষ’ নিয়েও নয়া ব্যাখ্যা দিয়েছেন শাহ। তাঁর কথায়, ”মা-মাটি-মানুষকে ক্ষমতায় এসেছিল মমতার সরকার। কিন্তু এরাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নেই। মাটি অনুপ্রবেশকারীরা হজম করেছে। মানুষ সিন্ডিকেট নিয়ে বিপর্যস্ত। তিনটি বিষয় রক্ষা করতে হলে বিজেপির সরকার গড়তে হবে।’’

Advertisement

শিলিগুড়ির কর্মিসভা থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘কমিউনিস্টদের থেকে মুক্তি পেতে তৃণমূল সরকারকে এনেছিল বাংলার মানুষ। কমিউনিস্টরা এর চেয়ে ভালো ছিল। তৃণমূল এসে ওদেরও ভাল করে দিয়েছে। বাম সরকার বাংলাকে পিছনে ফেলে দিয়েছিল, তৃণমূল তাকে আরও পিছিয়ে দিয়েছে। এবার তৃণমূলকে বিদায় নিতে হবে। বছরটা আপনার (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) টা টা বাই বাই বলার সময়।”

কমিউনিস্টদের প্রশংসায় শাহের এই মন্তব্য একাধিক প্রশ্নের জন্ম দিল। ভোটের মুখে তবে কি রাম-বাম আঁতাঁত আরও জোরাল করতে একথা বললেন শাহ? নাকি তৃণমূল বিরোধিতা করতে গিয়ে স্রেফ মুখ ফসকে আগের শাসনামলের এই প্রশংসা? বঙ্গে বিজেপি-বামেদের নিজস্ব বোঝাপড়া যেমনই হোক, সর্বভারতীয় স্তরে সিপিএম কিন্তু বরাবর বিজেপি-তৃণমূলকে রাজনৈতিক শত্রু হিসেবে এক সারিতে বসায় এবং সমদূরত্ব বজায় রেখে যে কোনও স্তরে জোটের পক্ষে সওয়াল করে। এখন অমিত শাহর মুখে বাংলার সিপিএম জমানার এহেন স্তূতি ঠিক কীসের ইঙ্গিত, ছাব্বিশের নির্বাচনী লড়াইয়ের আগে তা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.