Advertisement
Advertisement
Suvendu Adhikari

এখনও বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলের প্রার্থী! শুভেন্দুর অভিযোগে পবিত্রর প্রার্থীপদ নিয়ে ধন্দ

নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল। যদিও একদা 'বন্ধু', আজকের প্রতিপক্ষ শুভেন্দুর এমন অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পবিত্র কর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৭:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো
সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৭:০০

options
link
এখনও বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূলের প্রার্থী! শুভেন্দুর অভিযোগে পবিত্রর প্রার্থীপদ নিয়ে ধন্দ zoom
নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর।

ভোটের কয়েকদিন আগে নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াই আরও জমিয়ে তুললেন বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক বৈঠক করে নিজের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে তুললেন গুরুতর অভিযোগ। বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, নন্দীগ্রাম (Nandigram) বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র কর বিজেপির টিকিটে পঞ্চায়েতের সদস্য হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন। তিনি পঞ্চায়েতের সদস্য। কিন্তু সেই পদে ইস্তফা না দিয়ে অন্য দলের টিকিটের বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন। এনিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানানো হলে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিল হতে পারে। সেইসঙ্গে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আরও খোঁচা, ”আমরা এনিয়ে অভিযোগ করব না। কারণ, আমি ওকে রাজনৈতিকভাবে হারাব। প্রার্থীপদ বাতিল হলে সেটা করতে পারব না।” সূত্রের খবর, বিষয়টি কমিশনের নজরে আসতেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে পবিত্র করের বিরুদ্ধে।

বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যপদ না ছেড়েই তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এবারের ভোটে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন পবিত্র কর, সাংবাদিক বৈঠকে এমনই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকার রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অবশ্য এহেন অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। পবিত্র বলছেন, ৪ মে সব হিসাব হবে।

ছাব্বিশের ভোটযুদ্ধে অন্যতম হটস্পট নন্দীগ্রাম। এখানকার লড়াই নিঃসন্দেহে চিত্তাকর্ষক। একদা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ ‘বন্ধু’ই আজ শিবির বদল করে ঘাসফুল শিবিরের সৈনিক হয়ে দাঁড়িয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে। একে অপরের দুর্বলতা যতটা ভালোভাবে জানেন, তার বোধহয় যে কোনও কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যেই বিরল। তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের আবার দাবি, আজ যাঁরা শুভেন্দুর আশপাশে ঘুরছেন, ভোটের দিন তাঁরা পবিত্রর হয়েই কাজ করবেন – এতটাই তাঁর সংগঠনের জোর। এই অবস্থায় শুভেন্দুর নয়া অভিযোগ নন্দীগ্রামের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করল, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement

বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যপদ না ছেড়েই তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এবারের ভোটে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন পবিত্র কর, সাংবাদিক বৈঠকে এমনই অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকার রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অবশ্য এহেন অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। পবিত্র করের কথায়, ”নন্দীগ্রামে সবকটি মামলার রূপকার শুভেন্দু অধিকারী। যত মামলা, যত মানুষ জর্জরিত হচ্ছেন, তার মাস্টারমাইন্ড শুভেন্দু অধিকারী। এনিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর স্পেশাল ডিগ্রি আছে। উনি এরকমই করবেন জেনেই ওঁর বিরোধিতা করেছি আমরা। উনি চাইলে কাল থেকে পশ্চিম দিকে সূর্য উঠবে, ওঁর বিশাল চাওয়াপাওয়া আছে। যে কোনও সময় পৃথিবীর আলো উনি বন্ধ করে দিতে পারেন। তবে ৪ মে এই সবকিছুর হিসাব হবে।”

কিন্তু শুভেন্দু অধিকারীর এই অভিযোগের বাস্তব ভিত্তি কতটা? সত্যিই কি এক দলের পঞ্চায়েত সদস্য হয়ে অন্য দল থেকে বিধানসভা ভোটে লড়াই করা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ? এক্ষেত্রে কি প্রার্থীপদ বাতিল হতে পারে? ভারতীয় সংবিধান ও পঞ্চায়েতের সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী, এমনটা হলে ওই ব্যক্তির পঞ্চায়েতে যে পদ রয়েছে, তা খারিজ হতে পারে। তবে বিধানসভা বা লোকসভা ভোটের প্রার্থীপদ বাতিলের সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.