Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

‘বুঝতে পারছি, এবার ভোট দিতে পারব না’, নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর আরও হতাশ ‘বিচারাধীন’ মতুয়া ভোটাররা

বনগাঁ মহকুমার অন্তত ৬০ হাজার মানুষের নাম বিবেচনাধীন। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগই উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১৪:২৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ১৬, ২০২৬, ১৪:২৪

options
link
‘বুঝতে পারছি, এবার ভোট দিতে পারব না’, নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর আরও হতাশ ‘বিচারাধীন’ মতুয়া ভোটাররা zoom
ভোট ঘোষণার পর আরও হতাশ বিচারাধীন ও বাদ পড়া মতুয়া ভোটাররা। ফাইল ছবি
Advertisement

বঙ্গে বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এপ্রিলের ২৩ ও ২৯ তারখি দু’দফায় ভোটগ্রহণ। ৪ মে ফলপ্রকাশ। রবিবার কমিশনের এই ঘোষণার পর আরও হতাশা মতুয়া শিবিরে। বনগাঁ মহকুমার অন্তত ৩৬ হাজার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে গিয়েছে। ৬০ হাজার মানুষের নাম বিবেচনাধীন। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগই উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের। তাই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নাম বাদ যাওয়া ও বিবেচনাধীন ভোটাররা। অনেকেই ভেবেছিলেন, ভোট ঘোষণার আগে নিশ্চয়ই তাঁদের একটা সুরাহা হবে। কিন্তু তা না হওয়ায় তাঁরা কার্যত ভেঙে পড়েছেন।

বনগাঁ মহকুমার অন্তত ৩৬ হাজার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে গিয়েছে। ৬০ হাজার মানুষের নাম বিবেচনাধীন। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগই উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের। তাই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নাম বাদ যাওয়া ও বিবেচনাধীন ভোটাররা।

মতুয়া উদ্বাস্তু মিলন হাওলাদারের কথায়, “চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আমার নাম নেই। গত লোকসভা বিধানসভা ভোটেও ভোট দিয়েছিলাম। আশা করেছিলাম এবারও ভোট দিতে পারব। কিন্তু এখনও নাম উঠল না।” মতুয়া গোসাঁই মনোরঞ্জন ব্যাপারী বলছেন, “এবার ভোট দিতে পারব না, বুঝতে পারছি। বলেছিল, ৬ নম্বর ফর্ম ফিলাপ করলে হয়ে যাবে। কিন্তু হল না। বুঝেছি পুরোটাই ভাঁওতা। এবার সিএএ-তে আবেদন করে আগামীতে ভোট দিতে হবে।” একাধিক মতুয়া ভক্ত রীতিমতো ক্ষোভ আর হুঁশিয়ারির সুরে জানাচ্ছেন, চূড়ান্ত তালিকা বের হওয়ার পর বিজেপি নেতারা আশ্বাস দিয়েছিলেন, ভোটার তালিকায় সবার নাম না ওঠা পর্যন্ত ভোট হবে না। সেই ওরাই আবার মিথ্যাচার করে নাম ওঠার আগেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল। এর উপযুক্ত জবাব বিজেপি পাবে।

Advertisement

এ বিষয়ে তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “মতুয়া উদ্বাস্তু মানুষের নাম চক্রান্ত করে বাদ দিয়েছে বিজেপি। প্রথম থেকেই এরা মতুয়াদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে এসেছে। এবার মতুয়ারা বুঝতে পেরেছেন। ভোটে উপযুক্ত জবাব দিয়ে দেবেন।” কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের প্রতিক্রিয়া “বিবেচনাধীন থাকা সকলের নাম হয়তো উঠবে না। পরে তাঁরা সিএএ-তে আবেদন করে নাগরিকত্ব নিলে পরবর্তীতে ভোট দিতে পারবেন।” অর্থাৎ ঘুরিয়েফিরিয়ে সেই নাগরিকত্ব আইন দেখাচ্ছে বিজেপি। এখানেই বারবার মতুয়াদের সতর্ক করেছে শাসকদল তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা বলেছেন, সিএএ-তে আবেদন করার অর্থই হল নাগরিক নন। আর সেটাই চায় বিজেপি। স্রেফ এই অজুহাতেই ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেবে। অথচ, উদ্বাস্তুরা গোড়া থেকেই এদেশের নাগরিক বলে দাবি তৃণমূলের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.