ছাব্বিশের ভোটে (West Bengal Elections 2026) বাংলার ২৯৪ আসনে কংগ্রেস একা লড়ছে। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা ভোটের আগে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে একদফা প্রচার সেরে গিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। প্রিয়াঙ্কার আসার কথা থাকলেও সফরসূচি চূড়ান্ত নয়। আগামী সপ্তাহে প্রচারে আসছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তার মাঝে সপ্তাহান্তে বঙ্গভোটের প্রচার সারলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ মহম্মদ আজহারউদ্দিন (Mohammad Azharuddin)। রবিবার তিনি শ্রীরামপুরের ‘হাত’ শিবিরের প্রার্থী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হয়ে প্রচারে এসেছিলেন তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়াতে গিয়ে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ প্রকৃতির কথা তুলে ধরে তাঁর মন্তব্য, ‘‘বিজেপি সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে। জাতপাতের নামে ধর্মীয় বিভাজন করছে। তারা দেশের মানুষের উন্নয়ন করছে না। দেশ পিছিয়ে পড়ছে।”
দেশে কংগ্রেসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে আজহার বলেন, ‘‘কংগ্রেস ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। দেশের আর্থিক ও সার্বিক বিকাশ তখনই ঘটবে, যখন বিজেপির মতো দলকে দিল্লির মসনদ থেকে টেনে নামানো হবে। সেই দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। শ্রীরামপুর কেন্দ্রে ভদ্র,শিক্ষিত শুভঙ্কর সরকারকে জিতিয়ে এনে দিল্লিতে কংগ্রেসের হাত যদি শক্ত করেন, তাহলেই বিজেপিকে ধাক্কা দেওয়া যাবে।”
আরও পড়ুন:
রবিবার শ্রীরামপুর বটতলায় দলীয় প্রার্থী শুভঙ্কর সরকারে সমর্থনে নির্বাচনী সভায় এসেছিলেন আজহারউদ্দিন। রাহুল গান্ধীর মতো তৃণমূলকেও একহাত নিয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘‘আপনারা বাংলা থেকে সিপিএমের মতো দলকে তাড়িয়েছেন। বাংলায় পরিবর্তনের পর ১৫ বছর তৃণমূল শাসন করছে। কিন্তু বাংলায় কোনও উন্নতি হয়নি।” তবে তাঁর মূল নিশানায় ছিল বিজেপি। আজহারের কথায়, ‘‘ভারতবর্ষ ধর্ম নিরপেক্ষ। এখানে আমরা সবাই মিলেমিশে থাকি। কিন্তু বিজেপি সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে। জাতপাতের নামে ধর্মীয় বিভাজন করছে। তারা দেশের মানুষের উন্নয়ন করছে না। দেশ পিছিয়ে পড়ছে।”
দেশে কংগ্রেসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে আজহার বলেন, ‘‘কংগ্রেস ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। দেশের আর্থিক ও সার্বিক বিকাশ তখনই ঘটবে, যখন বিজেপির মতো দলকে দিল্লির মসনদ থেকে টেনে নামানো হবে। সেই দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। শ্রীরামপুর কেন্দ্রে ভদ্র,শিক্ষিত শুভঙ্কর সরকারকে জিতিয়ে এনে দিল্লিতে কংগ্রেসের হাত যদি শক্ত করেন, তাহলেই বিজেপিকে ধাক্কা দেওয়া যাবে।” এদিনের সভায় ছিলেন শ্রীরামপুরের হাত শিবিরের প্রার্থী শুভঙ্কর সরকার, জাতীয় কংগ্রেসের নেতা গোলাম আহমেদ মীর ও প্রদেশ নেতা কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কাশীধামের আদলে সাজবে তারকেশ্বর মন্দির, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে আসতে পারেন মোদি
-
‘ভালো তৃণমূল’ সমর্থনের উপহার! কাজল, চন্দ্রনাথ সহ বীরভূমের ৫ বিধায়কের নিরাপত্তা বাড়াল রাজ্য
-
মধ্যবিত্তের হেঁশেলে আগুন! ফের একধাক্কায় অনেকটা বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
নিবেদিত


