Advertisement
Advertisement
Hiran Chatterjee

হিরণের বদলে ‘হি-র‌্যান’! বিদায়ী বিধায়ককে কটাক্ষ করে টর্চ নিয়ে পথে খড়গপুরবাসী

খড়গপুরের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ না হওয়ায় বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এনিয়ে পালটা তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বর্তমান প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।

Advertisement
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৩:০১

link
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৩:০১

options
link
হিরণের বদলে ‘হি-র‌্যান’! বিদায়ী বিধায়ককে কটাক্ষ করে টর্চ নিয়ে পথে খড়গপুরবাসী zoom
হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ছবি- সংগৃহীত

কোথায় হিরণ? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হাতে জালানো টর্চ নিয়ে বুধবার রাতে খড়গপুর পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রপল্লি এলাকার বাসিন্দারা রাস্তায় নামলেন। হিরণ (Hiran Chatterjee) পালিয়ে গিয়েছে বা HE-RAN লেখা একাধিক পোস্টার-সহ হাতে জ্বলন্ত টর্চ ও মুখে স্লোগান দিতে দিতে গোটা এলাকার রাস্তায় ঘুরে বেড়ালেন পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে প্রায় শ’খানেক মানুষ। তাঁদের অভিযোগ একাধিক। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল এলাকার বেশিরভাগ জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ না হওয়া। এছাড়া রাস্তাঘাট-সহ নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশার অভিযোগ তো রয়েছেই। আর তার সঙ্গে যোগ হয়েছে এসআইআরের জেরে বহু মানুষের নাম বাদ যাওয়ার ক্ষোভ। তাঁরা বলছেন এসআইআরে নাম বাদ যাওয়ার পর করণীয় কাজ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হলেও খড়গপুর সদরের বিদায়ী বিধায়ক তথা বর্তমান কাউন্সিলর হিরণকে পাওয়া যাচ্ছে না পরামর্শ পাওয়ার জন্য।

প্রসঙ্গত, গত ২০২২ সালে খড়গপুরে পুরসভা নির্বাচনে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হয়ে কাউন্সিলর হয়েছেন হিরণ (Hiran Chatterjee)। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ সেই পুরসভা নির্বাচনের সময় বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েও এখন পূরণ করছেন না হিরণ। এই ব্যাপারে ববিতা সাহা নামে এক মহিলার কথায়, “এলাকার ২/১ টি জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি লাগানো হয়েছে। কিন্তু পিছনের এলাকায় কোনও বিদ্যুতের খুঁটি লাগানো হয়নি। রাস্তাঘাট অন্ধকার হয়ে থাকে। উনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কাউন্সিলর হলে রাস্তাঘাট-সহ নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়ন করবেন। কিন্তু এসব নিয়ে তিনি কোনও উন্নয়ন করেননি।”

Advertisement
He-Ran
বিদায়ী বিধায়ক হিরণকে নিয়ে কটাক্ষ এলাকাবাসীর। নিজস্ব ছবি

যদিও এই ব্যাপারে বিদায়ী বিধায়কের প্রতিনিধি শুভজিৎ ভট্টাচার্য বললেন, “যাঁরা প্রতিবাদ মিছিল করছেন তাঁরা সকলেই কিছুদিন আগে সিপিআই থেকে তৃণমূলে যাওয়া লোকজন। কাউন্সিলর হিসেবে হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় গোটা ওয়ার্ডে ৩৯টি রাস্তা করেছেন। পাঁচটি গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। বহু এলাকায় আলো লাগানো হয়েছে। এঁরা ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করতে ময়দানে নেমেছেন।” ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকদের এই প্রতিবাদ মিছিলকে সমর্থন করে তৃণমূলের প্রার্থী প্রদীপ সরকারের প্রতিক্রিয়া, “ওই ওয়ার্ডের নাগরিকদের ক্ষোভ খুবই সঙ্গত। বিধায়ক ও কাউন্সিলর হিসেবে হিরণ তো কিছুই করে নি। গত পাঁচ বছরে গোটা শহরের মানুষ খুঁজে পায়নি।” বিষয়টা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কিছু বলার নেই। ওখানকার মানুষের এতদিন মনে পড়ল না। ভোটের আগে এসব মনে পড়ল! হিরণকে পেতে হলে শ্যামপুর চলে যাক। দরকারে দিলীপ ঘোষ ভাড়া দিয়ে দেবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.