Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
West Bengal Assembly Election Result 2026

মৌসম-অধীর থেকে শুভঙ্কর, হার সব হেভিওয়েটের, দুই আসনে জিতে প্রাসঙ্গিক থাকার আশায় কংগ্রেস

হেভিওয়েটরা হারলেও কংগ্রেসের পতাকা তুলে ধরলেন কারা? কোন দুই কেন্দ্রে জিতল কংগ্রেস?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৬, ২২:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৬, ২২:১১

options
link
মৌসম-অধীর থেকে শুভঙ্কর, হার সব হেভিওয়েটের, দুই আসনে জিতে প্রাসঙ্গিক থাকার আশায় কংগ্রেস zoom
কংগ্রেসের হারা হেভিওয়েটরা। ফাইল ছবি।

২৯৪ একলা চলো। বঙ্গ ভোটের আগে কংগ্রেসের দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তর শোরগোল হয়েছিল। অধীর চৌধুরী, শুভঙ্কর সরকার থেকে শুরু করে দলের সব হেভিওয়েট নেতাকে ভোটের ময়দানে নামিয়ে দিয়ে কর্মীদের চাঙ্গা করার যথাসম্ভব চেষ্টাও করেছিল হাত শিবির। দলের হাই কম্যান্ডের আশা ছিল, এবার শূন্য তো কাটবেই-রাজ্যে কিংমেকারও হয়ে যেতে পারে হাত শিবির। কিন্তু বাস্তবে কংগ্রেসের প্রাপ্তি, মোটে দু’টি আসন। দলের সব হেভিওয়েট প্রার্থী পরাস্ত। তবে শূন্যের গেরো কাটার মধ্যেই স্বস্তি খুঁজছে কংগ্রেসের একাংশ।

রাজ্যের ২৯৪ আসনের সিংহভাগেই কংগ্রেসের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। খোদ প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ৩ হাজার ভোটও পাননি। কংগ্রেসের বড় আশা ছিল মালদহ থেকে। ভোটের ঠিক আগে আগে মৌসম নূর দলে ফেরায় নতুন আশার সঞ্চার হয়েছিল হাত শিবিরের কর্মীদের মধ্যে। সংখ্যালঘুদের একাংশের মধ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ যে ছিল না, সেটাও বলা যাবে না। কিন্তু শেষমেশ তৃণমূলকে হারানোর লক্ষ্যে সংখ্যালঘু ভোট মালদহে এককাট্টা হয়ে পড়েছে তৃণমূলের বাক্সেই। যার ফলে খোদ মৌসম তৃতীয় হলেন। তাঁর দলবদলেও কংগ্রেসের মৌসম বদলাল না। চাঁচল, মোথাবাড়ি, রতুয়ার মতো সম্ভাবনাময় আসনগুলিতেও সেভাবে সংখ্যালঘুদের সমর্থন পাননি কংগ্রেস প্রার্থীরা। সুজাপুরে দ্বিতীয় হলেও হারের ব্যবধান বিরাট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
West Bengal Assembly Election Result 2026: Adhir Ranjan Chowdhury lost Baharampur
অস্তাচলে অধীর। ফাইল ছবি।

একই অবস্থা হয়েছে উত্তর দিনাজপুরে। ওই জেলায় কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় বাজি ছিলেন আলি ইমরান রামজ ভিক্টর। তিনিও তৃতীয় হয়েছেন। দলের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তও জামানত খুইয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গ থেকে এমনিতে কংগ্রেসের বিশেষ আশা ছিল না। পুরুলিয়ায় বাঘমুন্ডি আসনটি নিয়ে আশাবাদী ছিল হাত শিবির। সেখানেও নেপাল মাহাতো তৃতীয়। একই সঙ্গে তিনি ঘোষণা করে দিয়েছেন, নির্বাচনে লড়াই আর নয়। দক্ষিণবঙ্গে বাকি সব আসনেই সম্ভবত জামানত হারাবে কংগ্রেস।

এবার আসা যাক স্বস্তির খবরে। হেভিওয়েটরা হারলেও রাজ্যে শূন্যের গেরো কাটিয়ে ফেলেছে কংগ্রেস। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা আসনে ৮ হাজারের বেশি ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন মোতাব শেখ। ওই জেলারই রানিনগর আসন থেকে জিতে এসেছেন কংগ্রেসের জুলফিকার আলি। ওই দুই আসন জেতায় অন্তত রাজ্যের পরিষদীয় রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক থাকার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখল হাত শিবির। কংগ্রেসের দাবি, আগামী দিনে বিশেষ করে লোকসভা নির্বাচনে যে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক কংগ্রেস থেকে বিমুখ হয়ে গিয়েছিল, তাঁরা ফিরে আসবেন। আপাতত সেই আশাতেই অপেক্ষায় কংগ্রেস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.