নন্দীগ্রামের এবার ‘খেলা’ ঘোরাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই লক্ষেই ভেবেচিন্তে প্রার্থী বাছাই করা হয়েছে। রাজ্যের অন্যতম হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামে এবার শাসক শিবিরের সৈনিক বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দীর্ঘদিনের ‘বন্ধু’ পবিত্র কর (Pabitra Kar)। বৃহস্পতিবার তিনি হলদিয়ার মহকুমাশাসকের দপ্তরে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে মহিষাদল ও হলদিয়ার দলীয় প্রার্থী তিলক চক্রবর্তী এবং তাপসী মণ্ডলও জমা দিয়েছেন নিজেদের মনোনয়ন। আর বিশেষ উল্লেখ্য হল এই যে বিজেপির ঠিক উলটো পথে হেঁটে একেবারে অনাড়ম্বরভাবেই প্রার্থীরা দাখিল করলেন মনোনয়ন। আর এটাই তৃণমূলের বিশেষ কৌশল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ।
নন্দীগ্রাম জিততে কতটা আশাবাদী? বরাবরের মতো এবার পবিত্র করের জবাব, ”১০০ শতাংশ আশাবাদী। এখন শুধু ভোটের ব্যবধান কত হবে, সেটাই দেখার।” শুভেন্দু যে হেভিওয়েট নেতা, তা মানতে নারাজ পবিত্রবাবু বললেন, ”হেভিওয়েট তো আপনাদের মতে। জনগণ যাঁর সঙ্গে তাঁর ওয়েটই বেশি। এখানে উনি (শুভেন্দু অধিকারী) কিছুই নন।”
আরও পড়ুন:
গত সোমবার নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তা ছিল বেশ আড়ম্বরপূর্ণ। দিল্লি থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এসেছিলেন শুভেন্দুর মনোনয়নের সময়। চোরা দ্বন্দ্ব ভুলে শুভেন্দুর সঙ্গে শামিল হয়েছিলেন খড়গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষও। মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সেই শোভাযাত্রা ছিল বেশ বর্ণাঢ্য। তার ঠিক তিনদিনের মাথায় তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের পবিত্র কর গেলেন মনোনয়ন জমা দিতে। ছবিটা সোমবারের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। সঙ্গে জনাকয়েক কর্মী, সমর্থক শুধু। মনোনয়ন পেশের আগে অবশ্য বরাবরের আত্মবিশ্বাস ধরে রেখেছেন পবিত্রবাবু।

নন্দীগ্রাম জিততে কতটা আশাবাদী? বরাবরের মতো এবার পবিত্র করের জবাব, ”১০০ শতাংশ আশাবাদী। এখন শুধু ভোটের ব্যবধান কত হবে, সেটাই দেখার।” শুভেন্দু যে হেভিওয়েট নেতা, তা মানতে নারাজ পবিত্রবাবু বললেন, ”হেভিওয়েট তো আপনাদের মতে। জনগণ যাঁর সঙ্গে তাঁর ওয়েটই বেশি। এখানে উনি (শুভেন্দু অধিকারী) কিছুই নন।” এই যে অনাড়ম্বরে মনোনয়ন পেশ করতে গেলেন, অথচ বিজেপি ঠিক এর উলটো, এনিয়ে কী বলবেন? তৃণমূল প্রার্থীর মতে, কাজই আসল। আর তার জন্য বাহ্যিক জাঁকজমক কোনও দরকার নেই।
তবে নন্দীগ্রামের রাজনীতির কথা যাঁরা হাড়ে হাড়ে জানেন, তাঁদের একাংশের বক্তব্য, এর নেপথ্যে তৃণমূলের কোনও না কোনও কৌশল নিশ্চিতভাবেই রয়েছে। যথেষ্ট সাদামাটাভাবে প্রচার করেই ভূমিপুত্র প্রার্থীর জনসংযোগকে কাজে লাগিয়ে ভোটে ফায়দা তুলতে চাইছে শাসকদল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নবভারত নির্মাণের রাস্তা দেখাতে পারে, অরোভিল হোক ‘জেন জি’-র প্রেরণা!
-
২৫ কোটির চুক্তি না পেলে টিভিতে সম্প্রচার নয়, কোথায় আইএসএল দেখাতে চায় ক্লাবগুলি?
-
‘আজকাল সবারই সুগার, মিষ্টি ক’জন খায়?’, চিনির মূল্যবৃদ্ধিতে না ঘাবড়ানোর পরামর্শ বিহারের মন্ত্রীর!
-
‘দিদি আমাকে বলেছিলেন, এমপি-এমএলএ করে দেব…’, মমতাকে নিয়ে অভিমানী ইন্দ্রাণী হালদার!
-
জারিজুরি খতম ‘টাইগার’দের! স্টার্কের নজিরগড়া বোলিংয়ে ৫০ পেরোতেই অলআউট বাংলাদেশ
নিবেদিত


