Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
West Bengal Assembly Election Result 2026

খাতা খুললেও বেশিরভাগ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত বামেদের, রক্ষা পেলেন দীপ্সিতা-কলতান-মীনাক্ষীরা?

করণদিঘি থেকে রানিনগর-যে সব আসনে বামেরা আশাবাদী ছিল, সেগুলির ফলাফল কেমন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ২২:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ২২:০৪

options
link
খাতা খুললেও বেশিরভাগ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত বামেদের, রক্ষা পেলেন দীপ্সিতা-কলতান-মীনাক্ষীরা? zoom
রাজ্যের প্রথম সারির বাম নেতারা। ফাইল ছবি।

তরুণ ব্রিগেডের হাত ধরে খরা কাটাবে। এই আশাতে গত তিনটি নির্বাচনে তারুণ্যে ভরসা রাখছে বামেরা। দলের প্রথম সারির সব তরুণ মুখকেই কমবেশি প্রার্থী করা হয়েছিল। কিন্তু এবারও সেই তথাকথিত তরুণদের কারও বিধানসভায় যাওয়া হচ্ছে না। এমনকী বামেদের তরুণদের মধ্যে অনেকে জামানতও বাঁচাতে পারেননি।

নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী, মোট যত ভোট পড়েছে, তার এক-ষষ্ঠাংশ অর্থাৎ ছ’ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত থাকে। অর্থাৎ মোট ভোটের ১৬.৬৬ শতাংশের কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। আসলে প্রার্থী হতে গেলে নির্বাচন কমিশনে নির্দিষ্ট ডিপোজ়িট মানি জমা রাখতে হয়। বিধানসভা ভোটে সেই টাকার অঙ্ক ১০ হাজার টাকা। জামানত বাজেয়াপ্ত হলে সেই টাকা আর ফেরত পাওয়া যায় না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাজ্যে বামেদের শূন্যের গেরো কাটলেও সেটা এমন একজনের হাত ধরে কেটেছে, সেই মোস্তাফিজুর রানা বাম মহলে মীনাক্ষী বা দিপ্সীতাদের মতো জনপ্রিয় ছিলেন না। মোস্তাফিজুর ডোমকল থেকে ১ লক্ষ ৭ হাজার ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটের ৪১ শতাংশ। অন্য সিপিএম প্রার্থীদের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছেন জলঙ্গির ইয়ানুস আলি সরকার। তিনি প্রায় ২৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। খড়গ্রামের বামপ্রার্থী ধ্রুবজ্যোতি সাহা প্রায় ৪১ হাজার ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। জামানত বাঁচিয়েছেন রানিনগরের সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন। করণদিঘির সিপিএম প্রার্থী হাজি শাহাবুদ্দিন সোশাল মিডিয়ায় বেশ আলোড়ন ফেলেছিলেন। তাঁর মোট প্রাপ্ত ভোট ৪০ হাজারের কম। তবে সামান্য ব্যবধানে জামানত বাঁচিয়েছেন শাহাবুদ্দিন। হেরেছেন ৫০ হাজারের বেশি ভোটে।

বামেদের অন্য হেভিওয়েটদের মধ্যে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ৪০ হাজার ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটে ১৭.৮১ শতাংশ। অর্থাৎ অল্পের জন্য জামানত বাঁচিয়ে ফেলেছেন তিনি। সে তুলনায় উত্তরপাড়ায় ভালো লড়াই করেছেন মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ত্রিমুখী লড়াইয়ে প্রায় ৫০ হাজার ভোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত ভোট প্রায় ২৫ শতাংশ। জামানত বাঁচিয়েছেন দীপ্সিতা ধরও। দমদম উত্তর কেন্দ্রে তিনি ১৭.২১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২৮ হাজারের বেশি।

পানিহাটিতে বহু চর্চিত প্রার্থী কলতান জামানত রক্ষা করতে পারেননি। তিনি মোটে ২৩ হাজার ভোট পেয়েছেন। শতাংশের বিচারে ১৩.৭৩। বরানগরে সায়নদীপ মিত্ররও জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তিনি মোটে ১১ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। রাজারহাট নিউটাউনের বাম প্রার্থী সপ্তর্ষি দেবও জামানত বাঁচাতে পারেননি। তিনি ৩২ হাজার ভোট পেয়েছেন। মোট ভোটের ১২.৭৭ শতাংশ। এর বাইরে রাজ্যের প্রায় সব আসনেই জামানত গিয়েছে বামেদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.