Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
quantum physics

৮-এ হাইস্কুল, ১৫ বছরে কোয়ান্টাম ফিজিক্সে PhD! বিশ্বরেকর্ড ‘ছোট আইনস্টাইনের’

মানুষকে অমরত্ব দিতে চান এই খুদে বিজ্ঞানী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ২০:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ২০:৫৫

options
link
৮-এ হাইস্কুল, ১৫ বছরে কোয়ান্টাম ফিজিক্সে PhD! বিশ্বরেকর্ড ‘ছোট আইনস্টাইনের’ zoom
'খুদে আইনস্টাইন' লরেন্ট সাইমনস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৫। ভালো করে এখনও গোঁফের রেখাও ওঠেনি। যে বয়সে মাধ্যমিক দেওয়ার কথা, সেই বয়সে কোয়ান্টাম ফিজিক্স-এর মতো কঠিন বিষয়ে ডক্টরেট (পিএইচডি) অর্জন করে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন কিশোর। বেলজিয়ামের এই ‘খুদে আইনস্টাইন’ লরেন্ট সাইমনস এখন বিশ্বজুড়ে চর্চার কেন্দ্র। গত সপ্তাহে অ্যান্টওয়ার্প বিশ্ববিদ্যালয়ের থিসিস জমা দেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী পিএইচডিধারী।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিস্ময় কিশোর লরেন্স অত্যন্ত মেধাবী ও প্রতিভাবান ছাত্র। পরিবার সূত্রে জানা যাচ্ছে, পিএইচডি অর্জনের আগে মাত্র ৮ বছর বয়সে হাইস্কুল পাশ করেন লরেন্ট। এরপর ১২ বছর বয়সে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। লরেন্ট পদার্থবিদ্যার জটিল গবেষণায় অসামান্য কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, সুপারফ্লুইড এবং সুপারসলিড সিস্টেমে বোস পোলারন, জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউটে ইন্টার্নশিপের সময়, তিনি কোয়ান্টাম অপটিক্স এবং এআই-চালিত প্লাজমা বিশ্লেষণ ব্যবহার করে প্রাথমিক ক্যান্সার শনাক্তকরণের উপর কাজ করেছেন। এই কাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যেখানে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে ক্যান্সার রোগী এবং সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে সঠিকভাবে পার্থক্য করা যায়।’

Advertisement

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ছোট আইনস্টাইন বলেন, “আমার আসল লক্ষ্য মানুষকে সুপার হিউম্যান হিসেবে গড়ে তোলা।” লরেন্টের কথায়, “আমার লক্ষ্য শুধুমাত্র প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জন নয়, আমার স্বপ্ন মানুষের আয়ু বৃদ্ধি করা ও শেষ পর্যন্ত মানুষকে জৈবিকভাবে অমর করে তোলা।” এর আগে এক সাক্ষাৎকারে লরেন্ট জানান, “আমি পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) একত্রিত করতে চাই।”

লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, এত কম বয়সেই লরেন্ট আমেরিকা এবং চিনের বড় বড় প্রযুক্তি সংস্থার হয়ে কাজের জন্য একাধিক প্রস্তাব পেয়েছেন। লরেন্টের কৃতিত্বে খুশি তাঁর বাবা আলেকজান্ডার ও মা লিডিয়া। পিএইচডি অর্জনের পর, জার্মানির মিউনিখে গিয়েছেন লরেন্ট। সেখানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের উপর গবেষণা করবেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.