Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sri Lanka Crisis

Sri Lanka: দেউলিয়া শ্রীলঙ্কা, হাতে নেই অর্থ, বাঁচার তাগিদে দেশ ছেড়ে ভারতে এলেন ১৯ শরণার্থী

ঋণের বোঝায় ধুঁকছে দ্বীপরাষ্ট্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২২, ২০:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২২, ২০:০৬

options
link
Sri Lanka: দেউলিয়া শ্রীলঙ্কা, হাতে নেই অর্থ, বাঁচার তাগিদে দেশ ছেড়ে ভারতে এলেন ১৯ শরণার্থী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka) সংকটের ঢেউ এসে পৌঁছল ভারতেও। দেনায় ডুবে থাকা দ্বীপরাষ্ট্র থেকে ১৯ জন শরণার্থী (Refugee) আশ্রয় নেওয়ার জন্য ভারতে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে। তামিলনাড়ুর ধনুষকড়িতে একটি নৌকা করে আসেন ওই ১৯ জন মানুষ। সকলেই শ্রীলঙ্কার উত্তরে মান্নার এবং জাফনা অঞ্চলের বাসিন্দা। এই নিয়ে মোট ৩৯ জন শ্রীলঙ্কান ভারতে আশ্রয় নিতে চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। এহেন পরিস্থিতিতে প্রতিবাদে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে ভারতের প্রতিবেশী দেশটি। তাই প্রাণ হাতে করে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার জন্য ছুটে আসছেন সেদেশের নাগরিকরা। ইতিমধ্যেই শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ১ কোটি ডলার আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি তেল এবং চাল পাঠানো হয়েছে ভারতের তরফ থেকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোভিশিল্ড নিয়েই মৃত্যু? সুবিচার চেয়ে কেরলের কোর্টে তরুণীর মা-বাবা]

এছাড়াও তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, শ্রীলঙ্কাকে সর্বতো ভাবে সাহায্য করতে তৈরি তারা। তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ, চাল এবং অন্যান্য সামগ্রী পাঠানোর জন্য তৈরি তামিলনাড়ু (Tamil Nadu)। সেদেশে থাকা তামিলদের সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তিনি। শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় হাই কমিশন যদি ত্রাণ সামগ্রী বন্টন করার দায়িত্ব নেয় তাহলেই তামিলনাড়ু সরকার সামগ্রী পাঠাতে পারে।

সপ্তাহ দুই ধরে জ্বলছে প্রতিবেশী দেশটি। শ্রীলঙ্কায় এখন চালের দাম ২২০ টাকা কেজিতে পৌঁছেছে। দেশে পাওয়া যাচ্ছে না গুঁড়ো দুধ, চিনি, নিউজপ্রিন্ট, ডিজেল ইত‌্যাদি-সহ বিভিন্ন শিল্পজাত পণ‌্য। ডিজেল সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। দেশে  বিদ্যুৎ সংকট এতটাই যে ‘সিলন ইলেক্ট্রিসিটি বোর্ড’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিনে ১৩ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ বন্ধ রাখা হবে। রাস্তায় আলো জ্বলছে না। হাসপাতালে চিকিৎসা করা যাচ্ছে না। চলছে না এটিএম, মোবাইল ফোন। ফ্রিজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাছ-সহ কোনও পচনশীল খাদ‌্যসামগ্রী সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না। মিলছে না রান্নার গ‌্যাস। ফলে যাঁদের ঘরে চাল-ডাল আছে, তাঁরাও রান্না করতে পারছেন না। সব অর্থেই ভয়ংকর অবস্থা শ্রীলঙ্কায়। 

[আরও পড়ুন: উপত্যকায় বড় সাফল্য যৌথবাহিনীর, শ্রীনগরে মুখোমুখি সংঘর্ষে খতম দুই জঙ্গি]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.