সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র কয়েকদিন আগেই বালোচ হামলায় কেঁপে উঠেছিল গোদার বন্দর। এবার সেই গোদারেই অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিদের হাতে নিহত হলেন পাকিস্তানের (Pakistan) দুই সেনা। জানা গিয়েছে, বোমা নিষ্ক্রিয় করতে গিয়েছিল সেনাবাহিনী। তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় অজ্ঞাতপরিচয় দুস্কৃতীরা।
পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আঙ্কারা দাম এলাকায় ল্যান্ড মাইন পুঁতে রাখার খবর পেয়েছিল সেনা। গোদার বন্দর থেকে অন্তত ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই এলাকাটি। খবর পেয়েই পাক সেনার বাহিনী ওই এলাকায় পৌঁছে যায়। ল্যান্ড মাইন নিষ্ক্রিয় করতে শুরু করে। সেই সময়েই সেনাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা।
[আরও পড়ুন: ‘সবরকম সাহায্য পেয়েছি’, পান্নুন খুনের ছকের তদন্তে ভারতকে দরাজ সার্টিফিকেট আমেরিকার]
ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই সেনাকর্মীর। গুরুতর আহত হন আরও চারজন। গোদারের এসএসপি মহসিন জোহেব জানান, আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন তাঁরা। তবে হামলাকারীদের খোঁজ মেলেনি এখনও। গোটা এলাকা জুড়ে আপাতত তল্লাশি শুরু হয়েছে। কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। যদিও অতীতে গোদারের একাধিক হামলার দায় নিয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা।
উল্লেখ্য, গত মাসেই বালোচ হামলার কবলে পড়েছিল পাকিস্তান। আরব সাগরের তীরে গোদার বন্দরটি চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের (Belt and Road) অন্তর্ভুক্ত। বন্দরের উন্নয়নেও বিপুল বিনিয়োগ করেছে শি জিনপিংয়ের প্রশাসন। বালোচিস্তানে প্রবল অশান্তি, জঙ্গি হামলা সত্ত্বেও এই বন্দরের উন্নয়ন হয়েছে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের মাধ্যমে। সেই হামলায় আটজন বালোচ বিদ্রোহী এবং দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়। তার পরেই ফের গোদারে হামলার মুখে পাক সেনা।
[আরও পড়ুন: বিতর্কে বিজেপির ভোট বিজ্ঞাপন, নারীদের অপমানের অভিযোগে কমিশনে মহিলা সংগঠন]
সর্বশেষ খবর
-
টলিপাড়ার অচলাবস্থা কাটাতে অস্থায়ী কমিটি পাপিয়ার, ‘কনফেডারেশনের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক নেই’, জানালেন শমীক
-
শেষ ষোলোয় উঠে মাঠেই নৌকো বাইলেন হালান্ডরা, ভাইকিং রো’র নেপথ্যে লুকিয়ে কোন ইতিহাস?
-
টাক লুকিয়ে সম্পর্ক, মরতে তো হবেই’! পুণে হত্যাকাণ্ডে ‘কদর্য’ মন্তব্য করে সাসপেন্ড ডেনটিস্ট
-
জেলা থেকে কলকাতা, রাজ্যজুড়ে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যাপক রদবদল নবান্নের
-
৩ দিনের বেশি পুলিশ হেফাজতে, কলকাতা পুরসভা থেকে সাসপেন্ড ফিরহাদ ‘ঘনিষ্ঠ’ কালীচরণ