Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
US Iran War

ইরানের তৈল সাম্রাজ্যের হৃদয়ে আঘাত আমেরিকার! খার্গ দ্বীপ দখলে রওনা ৫০০০ মার্কিন সেনার

ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ দেশটির অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি। এখান থেকেই দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করে ইরান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৭:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৭:৪২

options
link
ইরানের তৈল সাম্রাজ্যের হৃদয়ে আঘাত আমেরিকার! খার্গ দ্বীপ দখলে রওনা ৫০০০ মার্কিন সেনার zoom
ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের প্রস্তুতি আমেরিকার!

‘বুটস অন দ্য গ্রাউন্ড’। ‘আহত বাঘ’ ইরানকে বাগে আনতে এখন এই নীতিতেই মাঠে নামছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবরুদ্ধ হরমুজ খোলার পাশাপাশি আমেরিকার লক্ষ্য ইরানের তৈল সাম্রাজ্যের হৃদয় খার্গ দ্বীপ দখল। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যে মধ্য এশিয়ায় ৫ হাজারেরও বেশি সেনা মোতায়েন করতে চলেছে আমেরিকা। ইতিমধ্যেই রওনা হয়ে গিয়েছে এই সেনাবাহিনী। শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে আরও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প।

মার্কিন অভিযান প্রসঙ্গে ইজরায়েলের এক আধিকারিক বলেন, আমেরিকার বিশাল সেনাবাহিনী শুধু দেখানোর জন্য নয়, ইরানে বিরাট অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। খর্গ দ্বীপ ও হরমুজকে মুক্ত করাই আমেরিকার লক্ষ্য। এই খর্গ দ্বীপ ইরানের হাত থেক কেড়ে নেওয়া হলে ওদের কোমর ভেঙে যাবে এবং সমঝোতায় আসতে বাধ্য হবে। তবে ইরানও হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকার পাত্র নয়। সোমবার ইরানের প্রতিরক্ষা পরিষদের তরফে সে কথা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। হুঁশিয়ারির সুরে প্রতিরক্ষা পরিষদের তরফে জানানো হয়েছে, “শত্রুপক্ষ যদি কোনওভাবে ইরানের উপকূল বা কোনও দ্বীপে হামলা চালায় তবে সামরিক রীতি মেনেই পারস্য উপসাগর ও উপকূলীয় অঞ্চলের সমস্ত প্রবেশপথে ল্যান্ডমাইন বিছানো হবে।”

Advertisement

মধ্য এশিয়ায় ৫ হাজারেরও বেশি সেনা মোতায়েন করতে চলেছে আমেরিকা। ইতিমধ্যেই রওনা হয়ে গিয়েছে এই সেনাবাহিনী। শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যে আরও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার (১৫ নটিক্যাল মাইল) দূরে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ। ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র এই দ্বীপ দেশটির অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি। এখান থেকেই দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি করে ইরান। গোটা দ্বীপ জুড়ে রয়েছে অপরিশোধিত তেলের মজুত ভাণ্ডার। পাশাপাশি এই দ্বীপেই রয়েছে ইরানের বিশাল সামরিক ঘাঁটি। এই দ্বীপ কোনওভাবে হাতছাড়া হওয়ার অর্থ ইরানের অর্থনীতিকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দেওয়া।

ইরান যুদ্ধে আমেরিকার অন্যতম মাথাব্যাথার কারণ হয়ে উঠেছে বিশ্বের তৈল ধমনী হরমুজ। এখান থেকেই বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ তৈল বাণিজ্য সম্পন্ন হয়। যুদ্ধ শুরুর পরই এই পথে তালা ঝুলিয়েছে তারা। জ্বালানি পরিবহনে ছাড় দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকে। গুরুতর এই অবস্থায় প্রবল চাপের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ‘ছোট অভিযান’ বলে যে যুদ্ধ আমেরিকা শুরু করেছিল তা এখন অনির্দিষ্ট পথে এগোচ্ছে। শুধুমাত্র আকাশপথে হামলা চালিয়ে ইরানকে যে বাগে আনা যাবে না তা এদিনে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে ইরানে সেনা নামানোর প্রস্তুতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.