Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Turkey

তুরস্কে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে ছিল ৬ বছরের বালিকা, উদ্ধার করল ভারতীয় সেনা

মেয়েটির মায়ের সন্ধান পেলেও এখনও নিখোঁজ বাবা ও দুই ভাই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৩, ১৩:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৩, ১৩:০৪

options
link
তুরস্কে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে ছিল ৬ বছরের বালিকা, উদ্ধার করল ভারতীয় সেনা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিকম্পের ছোবলে চারদিক তছনছ হয়ে গিয়েছে। যেদিকে চোখ যায় শুধুই ধ্বংসের চিহ্ন। এই ধ্বংস, হতাশা, স্বজন হারানোর কান্নার মধ্যেও এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যা বুঝিয়ে দিয়ে যায়, ধ্বংসের মধ্যেই থেকে যায় জীবনের বীজ। তুরস্কে (Turkey) ভূমিকম্পের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হল ৬ বছরের ছোট্ট মেয়ে। তাও বিপর্যয়ের ৩ দিন পরে। আর তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করল ভারতীয় সেনা।

জানা গিয়েছে, খুদে মেয়েটির নাম নাসরিন। তাকে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করার পর দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্যাম্পের এক চিকিৎসক জানাচ্ছেন, ”সকাল ১০টা নাগাদ উদ্ধারকারীরা মেয়েটিকে এখানে নিয়ে এসেছে। ওর শারীরিক অবস্থা প্রাথমিক ভাবে স্থিতিশীল ছিল না। বাঁ পায়ে গুরুতর চোট রয়েছে। তবে চিকিৎসায় সাড়া মিলেছে। অবশেষে স্থিতিশীল।” নাসরিনকে ভারতীয় সেনার হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আন্দামান গুপ্তচর বেলুন পাঠিয়েছিল চিন? আমেরিকার দাবিতে তুঙ্গে জল্পনা]

নাসরিনদের পরিবারের সদস্য ছিল পাঁচজন। এর মধ্যে নাসরিন ও তার মায়ের সন্ধান মিলেছে। কিন্তু এখনও নিখোঁজ বালিকার বাবা ও দুই ভাইয়ের। তবে এই বিপর্যয়ের মধ্যেও মুখে হাসি নাসরিনের। শারীরিক কষ্ট ও প্রিয়জনকে হারিয়ে ফেলার উৎকণ্ঠার মধ্যে মেয়েটির মুখের হাসিই যেন বুঝিয়ে দিচ্ছে সমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও টিকে থাকার নাম জীবন।

প্রসঙ্গত, তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে (Turkey-Syria Earthquake) মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ২১ হাজার। এর আগে ১৯৯৯ সালে তুরস্কের উত্তরপশ্চিমে হওয়া ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৭ হাজার মানুষ। ইতিমধ্যেই সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে এবারের বিপর্যয়। আহত প্রায় ৭২ হাজার। এছাড়াও হাজার হাজার গৃহহীন মানুষ ঠান্ডা ও খিদেয় অসহায় পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবারই সিরিয়ায় আসছেন WHO’র ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রস আধানম ঘেব্রিয়াসুস।

[আরও পড়ুন: ১০ দিনের আলোচনাতেও কাটল না জট, সাহায্যে নারাজ IMF, আরও অন্ধকারে পাকিস্তান]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.