Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
pakistan blast

পাকিস্তানের মাদ্রাসায় কোরানের ক্লাস চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত চার শিশু-সহ ৭

জখম অন্তত ৭৪।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৫:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৫:৩৩

options
link
পাকিস্তানের মাদ্রাসায় কোরানের ক্লাস চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত চার শিশু-সহ ৭ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের সন্ত্রাসের নিশানায় পড়ুয়ারা। মঙ্গলবার সকালে পাকিস্তানের পেশোয়ারের (Pakistan) কছে একটি মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ হয়। তাতে এখনও পর্যন্ত চার জন পড়ুয়া-সহ মোট সাতজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। তবে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৭৪ জন। 

পেশোয়ারের দির কলোনিতে রোজকার মতো আজ সকালেও কোরানের ক্লাস চলছিল। সেই ক্লাসে হাজির ছিল বহু শিশুও। বিস্ফোরক ভরতি একটি ব্যাগ মাদ্রাসার ভিতর রেখে  যায় কয়েকজন অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা। ক্লাস চলাকালীন বিস্ফোরণ (Blast) ঘটে। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় চার শিশু। জখম অন্তত ৭৪ জন। 

Advertisement

[আরও পড়ুন : অপেক্ষার অবসান! ২ নভেম্বরই চালু হতে পারে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন, দাবি গবেষকদের]

আহতদের সঙ্গে সঙ্গে লেডি রিডিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মাদ্রাসায়  বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম অন্তত ৭৪ জন। এঁদের মধ্যে ১৯ জন শিশু রয়েছে।  তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

যদিও পেশোয়ারের এক বর্ষীয়ান পুলিশ কর্তা ওয়াকার আজিম জানিয়েছেন, “অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজন দুষ্কৃতী মাদ্রাসার ভিতরে বিস্ফোরক রেখেছিল। তাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। জখম ৩৬ জন।” পরে অবশ্য পেশোয়ারের এসপি মনসুর আমন জানান, “বিস্ফোরণে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকার্য চলছে।”  কারা কী উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটালো তা নিয়ে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। কোনও সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী এখনও হামলার দায় স্বীকার করেনি।

[আরও পড়ুন : আমেরিকায় বর্ণবিদ্বেষের শিকার বিড়লা পরিবারের সদস্যরা, টুইটে উগরে দিলেন ক্ষোভ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.