BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

টিকিট ছাড়াই বিমানে যাতায়াত এই মহিলার কাছে জলভাত!

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 22, 2018 4:08 am|    Updated: January 22, 2018 4:13 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  আপনি নিশ্চয় দেখেছেন বা শুনেছেন যে, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে ট্রেনে চেপে কিছু মানুষ টিকিট ছাড়াই যাতায়াত করেন। তাঁদের মধ্যে আবার বেশ কয়েকজন আছেন, যাঁরা টিকিট ছাড়া যাতায়াত করে ধরা না পড়াটাকেও বেশ উপভোগ করেন। আবার মাঝেমধ্যে এটা নিয়ে কিছু মানুষকে গর্ব করে বলতেও শোনা যায়, ‘মাস ধরে টিকিট না কেটে যাতায়াত করছি, কিন্ত এখনও কেউ আমাকে ধরতেই পারেনি।’

[যৌবন ধরে রাখতে এই ‘সুপারহিরো’কে সঙ্গে রাখুন আপনিও]

কিন্ত এই ধরনের ঘটনা ট্রেনে ঘটলেও, প্লেনে ঘটেছে বলে কেউ কোনওদিন কি শুনেছেন? না শুনে থাকলে এবারে শুনে নিন, ঘটনাটা ঘটেছে সুদূর শিকাগো থেকে লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্ট যাওয়াকে কেন্দ্র করে। একজন ৬৬ বছরের মহিলা মার্লিন জিন হার্টম্যান এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার তিনি এরকম কাণ্ড ঘটিয়েছেন। এরকম ঘটনা ঘটানোর জন্য তাকে কয়েকবার জেলেও যেতে হয়েছে। কিন্ত তবু তিনি থামেননি, হাসিমুখে আবার একই রকমভাবে বড় বড় বিমানযাত্রীদের গোষ্ঠীতে মিশে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরে বেরিয়েছেন অবলীলায়।

[মাঝ আকাশে দুই বিমানকর্মীর বিয়ে দিয়ে শিরোনামে পোপ ফ্রান্সিস]

প্রথমবার ২০১৪ সালে তিনি প্লেনে চেপে হাওয়াই যাওয়ার পথে ধরা পড়েন এবং ওই একই বছর তিনি প্লেনে চেপে লস অ্যাঞ্জেলসেও ঘুরে আসেন। এরপর ২০১৫ সালে তিনি মিনেসোটা থেকে ফ্লাইট ধরে ফ্লোরিডা ঘুরে আসেন এবং আবার ওই বছরই ফ্লাইট ধরতে গিয়ে তিনি শিকাগো এয়ারপোর্টে ধরা পড়েন। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, তাঁর নিজস্ব কোনও ঘরবাড়ি বা আত্মীয়-পরিজন নেই। তিনি যখন যেখানে পারেন থাকেন, যখন যা পান, তাই খান এবং শেষবার ধরা পরার আগে তাঁকে শিকাগোর এক গ্রামে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য তৈরি নিম্ন মধ্যবিত্ত আবাসনে থাকতে দেখা গিয়েছে।

[৫ বছর পর সন্তান খোয়ানোর বিচার পেলেন তরুণী!]

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটা ওই মহিলার মানসিক রোগ। যেহেতু তাঁর কোনও পিছুটান নেই, তাই তিনি বারবার ধরা পড়ে জেলে যাওয়া সত্ত্বেও, এভাবে প্লেনে চেপে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরে বেড়ানোর নেশা তৈরি হয়েছে। শেষবার ধরা পড়ে জেলে যাওয়ার সময় একটি সংবাদপত্রকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন ‘বিদায় এই হিংস্র পৃথিবী।’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement