BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাঠানকোট চক্রীদের শাস্তিতে চাপ পাকিস্তানকে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 9, 2016 9:13 am|    Updated: June 9, 2016 9:13 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দৌত্যে পুরোপুরি সাফল্য হয়তো এল না৷ কিন্তু ভারত-মার্কিন সম্পর্কে উন্নতির বার্তা মিলল নরেন্দ্র মোদি-বারাক ওবামার বৈঠকে৷ দুই রাষ্ট্রনায়কের সপ্তম বৈঠক শেষে বোঝা গেল, ভারত ও আমেরিকা পরস্পরের আরও কাছাকাছি এসেছে৷ হোয়াইট হাউসের সংক্ষিপ্ত সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতকে সমর্থনের জন্য ‘বন্ধু’ ওবামাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি৷ তেমনই ওবামা বুঝিয়ে দিয়েছেন, ভারতকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে আমেরিকা বদ্ধপরিকর৷ এমনকী, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার ও ভারতকে স্থায়ী সদস্য করার প্রস্তাবেও আমেরিকা সমর্থন দেবে বলে ফের আশ্বাস দিয়েছে৷

যদিও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বিদেশনীতি বিষয়ক পরামর্শদাতা সরতাজ আজিজ জানান, পরমাণু সরবরাহ গোষ্ঠীতে (এনএসজি) ভারতের অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সক্রিয় উদ্যোগ নিচ্ছে পাকিস্তান৷ বর্তমান আন্তর্জাতিক সমীকরণের প্রসঙ্গে চিনের পাশাপাশি উঠে এসেছে পাকিস্তানের বিষয়টিও৷ এদিন সরাসরি সন্ত্রাসবাদ ও পাক মদতপুষ্ট জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা ও ডি-কোম্পানির বিরু‌দ্ধে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন ওবামা৷ একইসঙ্গে পাঠানকোটে হামলার সঙ্গে ২৬/১১ মুম্বই হামলার তুলনা করে দ্রুত ষড়যন্ত্রকারীদের বিরু‌দ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন পাকিস্তানকে৷ যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ মানব সভ্যতার সবচেয়ে বড় বিপদ৷ তাই প্যারিস থেকে পাঠানকোট, ব্রাসেলস থেকে কাবুল, সব ক্ষেত্রেই জঙ্গি আক্রমণের নিন্দা করা হয়েছে৷ সমমনস্ক দেশগুলিকে নিয়ে সন্ত্রাসবাদ দমনে আরও জোরদার চেষ্টা করার কথাও বলেছে দুই সহযোগী দেশ৷ জঙ্গিদমনে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী বৈঠকে সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷ জলবায়ু পরিবর্তনেও হাত ধরাধরি করে কাজ করবে ভারত-আমেরিকা৷ সাইবার নিরাপত্তা ও ইন্টারনেট গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রেও দু’দেশ সহযোগিতা বাড়াচ্ছে৷ আর্থিক বৃদ্ধি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সাইবার স্পেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ উন্মুক্ত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেটের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা জানান মোদি-ওবামা দু’জনেই৷
যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা জানিয়েছেন, যে ধরনের অনলাইন কাজকর্মের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমন কাজকে কোনও দেশেরই সমর্থন করা উচিত নয়৷ পাশাপাশি, আমেরিকায় প্রবাসী ভারতীয়দের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃ‌দ্ধি পাওয়ায় সিয়াটেলে ষষ্ঠ দূতাবাসও খুলতে চলেছে ভারত৷ একইভাবে ভারতেও অতিরিক্ত দূতাবাস খুলবে আমেরিকা৷ পরস্পরের নাগরিকদের ভিসা মঞ্জুর, জনগণের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধির জন্য একাধিক পদক্ষেপ করা হবে৷ আগামী বছর দুই দেশ ভ্রমণ ও পর্যটনসঙ্গী হিসাবেও কাজ করবে৷ একইসঙ্গে ভারতকে প্রতিরক্ষা-সঙ্গী হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে ওবামা প্রশাসন৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement