Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Nobel Peace Prize

‘আপনি শান্তির দূত’, পাকিস্তানের পর এবার ট্রাম্পের নোবেলের পক্ষে সওয়াল ইজরায়েলের

নেতানিয়াহুর প্রস্তাব শোনার পর যারপরনাই খুশি ট্রাম্প।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৫, ০৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৫, ০৮:৫৮

options
link
‘আপনি শান্তির দূত’, পাকিস্তানের পর এবার ট্রাম্পের নোবেলের পক্ষে সওয়াল ইজরায়েলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের পর এবার ইজরায়েল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘শান্তির দূত’ বলে দাবি করে তাঁকে নোবেল দেওয়ার দাবি তুললেন বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ট্রাম্প যাতে নোবেল পান তার জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন তিনি। সোমবার হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে সেই মনোনয়ন পত্রের কপি ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরেন নেতানিয়াহু।

ওই নৈশভোজে ট্রাম্পের প্রশংসা করে নেতানিয়াহু বলেন, “আপনি একের পর এক দেশ ও অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে চলেছেন। এই সম্মান পাওয়ার জন্য আপনিই যোগ্য।” একইসঙ্গে জানান, “নোবেল কমিটির কাছে আপনার পক্ষে যে সওয়াল আমরা করেছি তার কপি তুলে ধরতে চাই।” এরপরই সেই চিঠির কপি তুলে ধরে নেতানিয়াহু বলেন, “আপনাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। কারণ, আপনি এর যোগ্য।” মনোনয়নপত্রের কপি হাতে পেয়ে যারপরনাই খুশি হন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুকে বলেন, “আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এই বিষয়টি জানতাম না। এটা আমার জন্য অপ্রত্যাশিত, আমি সত্যিই খুশি।”

Advertisement

অবশ্য ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়ার দাবি এই প্রথমবার নয়, গত মাসের শুরুতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরে নাজেহাল পাকিস্তান দ্বারস্থ হয়েছিল আমেরিকার। সেই সংঘাত থামার পর যুদ্ধবিরতির কৃতিত্ব ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিয়ে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন পাক সরকার। পাক সেনা প্রধান আসিম মুনিরের তিন দিনের মার্কিন সফরের পর এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ভারত-পাক সংঘাতের থামাতে ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের জন্য পাকিস্তান সরকার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তাঁর নাম সুপারিশ করেছে।”

সেই ঘটনার পর ইরান ও ইজরায়েল মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করতে দেখা যায় ট্রাম্পকে। শুধু তাই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে চলা সংঘাত থামাতে এবং সকল পণবন্দির মুক্তির লক্ষ্যে তৎপর হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, আমরা গাজায় একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি। যার মধ্যে ১০ জন পণবন্দির মুক্তি ও ১৫ জনের দেহ ফেরানো হবে। গাজার কিছু অংশ থেকে ইজরায়েলের সেনা প্রত্যাহার ও সেখানে মানবিক সহায়তা বাড়ানো হবে। সেখানে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছেন নেতানিয়াহু। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়ার দাবি তুলল ইজরায়েল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.