Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ahmedabad Plane Crash

৪ মাস পরও কাটেনি আতঙ্ক, কেমন আছেন আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত রমেশ?

এক কথায় নিস্তব্ধ জীবন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ০০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ০০:৩৫

options
link
৪ মাস পরও কাটেনি আতঙ্ক, কেমন আছেন আহমেদাবাদ দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত রমেশ? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ৪ মাসেরও বেশি সময়। কিন্তু এখনও আতঙ্ক কাটেনি দুর্ঘটনায় একমাত্র জীবিত যাত্রী বিশ্বাসকুমার রমেশের। চোখ বন্ধ করলেই মনে পড়ছে সেই বিভীষিকা। শরীরের ক্ষত শুকিয়ে গেলেও মানসিক যন্ত্রণা যেন পিছু ছাড়ছেন না। এক কথায় নিস্তব্ধ জীবন।

দুর্ঘটনার পর ভারতে বেশ কিছুদিন রমেশের চিকিৎসা চলে। তারপর তিনি ফিরে যান ব্রিটেনে। ‘বিবিসি’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবক বলেন, “আমিই একমাত্র জীবিত যাত্রী। তবুও এটা যে অলৌকিক ঘটনা, তা আমি বিশ্বাস করি না। আমি আমার ভাইকে হারিয়েছি। আমি এখন একা। অধিকাংশ সময় একাই আমি ঘরে বসে থাকি। এমনকী স্ত্রী-পুত্রের সঙ্গেও কোনও কথা বলি না।”

Advertisement

গত ১২ জুন দুপুরে টেক অফের খানিকক্ষণের মধ্যেই আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে একটি মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমান। উড়ানটিতে ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন। তার মধ্য়ে ২৪১ জনেরই মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে ছিলেন রমেশের ভাই অজয়। ১১এ আসনে বসেছিলেন রমেশ। আশ্চর্যজনকভাবে তিনি বেঁচে গেলেও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান অজয়। ভাইয়ের মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি রমেশ। তারপরই থেকেই একরমক অবসাদে চলে গিয়েছেন তিনি।

অজয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে চোখে জল চলে আসে রমেশের। কাতর কণ্ঠে বলেন, “আমার ভাই আমার মেরুদণ্ড। গত কয়েক বছরে বিভিন্ন বিষয়ে সে আমাকে সমর্থন করে এসেছে। আজ সে নেই।” রমেশ তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনার পর আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। একই অবস্থা আমার পরিবারেরও। গত চার মাস ধরে আমার মা প্রতিদিন দরজার বাইরে বসে থাকেন। কারও সঙ্গে কথা বলেন না। কিছুই করেন না। আমিও নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছি। একা থাকতেই পছন্দ করি। প্রতিটা দিন এখন আমার পরিবারের জন্য বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে।” বর্তমানে তাঁর পরিবার যে আর্থিক সংকটে ভুগছে, সেকথাও জানান রমেশ।

দুর্ঘটনার পরই সমাজমাধ্যমে রমেশের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। যেখানে দেখা গিয়েছিল, আহত অবস্থায় তিনি ধ্বংসস্তূপ থকে হেঁটে বেরিয়ে আসছেন। তারপর নিজেই অ্যাম্বুল্যান্সে ওঠেন। টানা পাঁচদিন তিনি আহমেদাবাদের হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। অবশেষে  ১৭ জুন তিনি হাসপাতাল থেকে তাঁকে ছাড়া পান। তারপর দেশে ফিরে যান রমেশ।   

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.