ইরানে এবার লোকালয় লক্ষ্য করে ভয়ংকর হামলা চালাতে শুরু করল আমেরিকা এবং ইজরায়েল। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত শিশু-সহ ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আহতের সংখ্যা বহু। এতদিন ইরান সরকার এবং সেনার উচ্চপদস্থ কর্তাদের খতম করা হচ্ছিল। কিন্তু এবার সেখানকার সাধারণ মানুষদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করল আমেরিকা এবং ইজরায়েল।
ইরানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতভর উত্তর-পশ্চিম তেহরানের আলবোর্জ প্রদেশে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় মার্কিন এবং ইজরায়েলি সেনা। ধ্বংস হয়ে যায় বাড়িঘর। নিমেষেই রক্তস্নাত হয়ে পড়ে এলাকা। সূত্রের খবর, এই হামলায় নিরীহ নাগরিকদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইরানের ইসলামিক রিভ্যালুশিনারী গার্ড কর্পস হুমকি দিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড যদি ইরানের পরিকাঠামো ধ্বংস করতে থাকে, তাহলে তারা আমেরিকা এবং তার ‘বন্ধু’ দেশগুলিকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেবে।
আরও পড়ুন:
সোমবারই আমেরিকার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব খারিজ করে দেয় ইরান। পাশাপাশি, শান্তি ফেরাত তারা পালটা ১০ দফা শর্ত চাপিয়েছে। এগুলির মধ্যে প্রধান হল – যুদ্ধের স্থায়ী অবসান। এছাড়াও তারা বলেছে, লেবানন এবং গাজাতে যে রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে, সেটাও বন্ধ করতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে যাতে সেই যুদ্ধ পুনরায় শুরু না হয়। ইরান আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালীর উপর যাতে তেহরানের নিয়ন্ত্রণ থাকে, সেই স্বীকৃতিও দিতে হবে। এই জলপথ দিয়ে যাতায়াতের জন্য জাহাজগুলিকে বিশেষ কর দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে তেহরান। এছাড়াও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও দাবি করেছে ইরান। তেহরানের এহেন দাবির পরই ইরানের লোকালয় লক্ষ্য করে হামলা চালাতে শুরু করল আমেরিকা এবং ইজরায়েল।
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক