Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

দুনিয়া ধ্বংস করে দেবে এলিয়েনরা, ভবিষ্যদ্বাণী বিজ্ঞানীর

বিখ্যাত পদার্থবিদ স্টিফেন হকিংয়ের বক্তব্য গায়ে কাঁটা জাগাবে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২০, ২০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০২০, ২০:৩৭

options
link
দুনিয়া ধ্বংস করে দেবে এলিয়েনরা, ভবিষ্যদ্বাণী বিজ্ঞানীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় দর্শন বরাবরই জীবনধারা এবং জীবজগতকে দেখেছে তিনটি অবস্থার বিন্যাসে। সৃষ্টি, স্থিতি এবং লয়! এর বাইরে কোনও সত্যের অস্তিত্বই নেই!
বলা বাহুল্য, আপাতত আমরা রয়েছি স্থিতির শেষের দিকে। সৃষ্টি কী ভাবে হল, তা আমাদের জানা। কিন্তু, লয় বা ধ্বংস?
অনেকেই ইতিমধ্যে নানা কারণ দর্শিয়েছেন পৃথিবী ধ্বংসের বিষয়টিকে নিয়ে। ধর্মগুরুরা পুরোটাই ছেড়ে দিয়েছেন ঈশ্বরের হাতে। সেই মত বলে, পৃথিবী যখন পাপে পরিপূর্ণ হবে, আর বাসযোগ্য থাকবে না, তখনই ঘনিয়ে আসবে শেষের সেই ভয়ঙ্কর দিন। বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, একদিন যখন পৃথিবী প্রাকৃতিক সম্পদহীন হয়ে পড়বে, তখনই শেষ মুহূর্তের সঙ্কেত পাওয়া যাবে। মানুষ অনাহারের মুখে পড়বে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে গিয়ে প্রবল জলস্তরে ভেসে যাবে সৃষ্টি!
কিন্তু বিখ্যাত পদার্থবিদ স্টিফেন হকিংয়ের বক্তব্য গায়ে কাঁটা জাগাবে! তিনি বলছেন, এই যে মানুষ ভিন গ্রহে প্রাণ খোঁজার চেষ্টা করে চলেছে, সংযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করছে ভিনগ্রহীদের সঙ্গে, এর মধ্যেই না কি লুকিয়ে আছে ধ্বংসের বীজ!

stephenhawking1_web
সম্প্রতি একটি নতুন ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে বরেণ্য এই পদার্থবিদকে নিয়ে। ভিডিওটির নাম ‘স্টিফেন হকিংস ফেভারিট প্লেসেস’। সেখানে হকিন্স এই বিশ্বজগতের বাইরে তাঁর প্রিয় পাঁচটি জায়গার সঙ্গে পরিচিত করাচ্ছেন সবাইকে। সেই প্রসঙ্গেই ভেসে এসেছে তাঁর সতর্কবার্তা।
পদার্থবিদের বক্তব্য, যদি মানুষ কৌতূহলবশে তার থেকেও উন্নত কোনও ভিনগ্রহীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ফেলে, তা হলেই দেখা দেবে সমূহ সর্বনাশ! কারণ, তখন পৃথিবীর পরিচয় পেয়ে সেই উন্নত ভিনগ্রহীরা তা দখল করতে চাইবে। এবং, সেই যুদ্ধেই শেষ হয়ে যাবে মানুষের সাধের সভ্যতা!
“ব্যাপারটা ঠিক কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের মতো হবে। কলম্বাস আমেরিকার খোঁজ পাওয়ার পর সেখানকার আদিম অধিবাসী রেড ইন্ডিয়ানদের সঙ্গে যা হয়েছিল, যেভাবে তাদের মুছে যেতে হয়েছিল প্রিয় ভূখণ্ড থেকে, আমাদের সঙ্গেও তাই হবে”, বলছেন হকিং।
কিন্তু, উন্নত ভিনগ্রহীরা মানুষকে কি একেবারেই রেয়াত করবে না? বক্তব্যটি জানাজানি হওয়ার পরে স্বাভাবিক এই প্রশ্ন ভেসে এসেছে পদার্থবিদের দিকে।
“মানুষ কি ব্যাকটেরিয়া নিয়ে মাথা ঘামায়?” পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন হকিং।
তা বলে, অন্য গ্রহে প্রাণ অনুসন্ধানের বিষয়ে পুরোপুরি বিজ্ঞানীদের নিরুৎসাহও করতে চাননি তিনি। হকিং বলেছেন, তিনি জানেন কোন গ্রহে অনুসন্ধান চালালে এই গবেষণা সফল হবে! “পৃথিবীর বাইরে কোন গ্রহে প্রাণ আছে, কোথায় খুঁজলে লাভ হবে, তা আমি জানি! কিন্তু এখনই বলব না”, ব্যাপারটা শেষ পর্যন্ত রহস্যেই মুড়ে রেখেছেন পদার্থবিদ!

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.