Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
America

‘আমেরিকার মদতে সন্ত্রাস’, পহেলগাঁও কাণ্ডের পর পাক স্বীকারোক্তির পালটা কী বলল হোয়াইট হাউস?

'তিন দশক ধরে আমেরিকা-সহ পশ্চিমী দেশগুলির জন্য ঘৃণ্য কাজ করেছিলাম', জানিয়েছিলেন পাক মন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৫, ১২:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০২৫, ১২:২৫

options
link
‘আমেরিকার মদতে সন্ত্রাস’, পহেলগাঁও কাণ্ডের পর পাক স্বীকারোক্তির পালটা কী বলল হোয়াইট হাউস? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানের স্বীকারক্তিতে রীতিমতো চাপে আমেরিকা। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ‘আমেরিকা-সহ পশ্চিমী দেশগুলির জন্য গত ৩০ বছর ধরে সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে এসেছে পাকিস্তান।’ এহেন দাবিতে স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল শুরু হয় বিশ্বে। এই ইস্যুতেই এবার সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের মুখে পড়লেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র টমি ব্রুস।

গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয়েছে ২৫ পর্যটক-সহ এক স্থানীয় নাগরিকের। জানা গিয়েছে, সেনার পোশাকে এসে ধর্ম জিজ্ঞাসা করে বেছে বেছে খুন করা হয় ওই পর্যটকদের। প্রথমে এই হামলার দায় স্বীকার করেও পরে তা অস্বীকার করে লস্কর ই তইবার ছায়া সংগঠন টিআরএফ। কাশ্মীরের মাটিতে সন্ত্রাস চালাতে এই সংগঠনকে জল-সার দিয়ে মহীরুহ করে তুলেছে পাক সেনা ও আইএসআই। এই হামলার নেপথ্যেও প্রকাশ্যে এসেছে পাক যোগ। যদিও ভারতের দাবি অস্বীকার করে পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, “সন্ত্রাসবাদকে অর্থ ও মদত দেওয়ার মতো ঘৃণ্য কাজ গত তিন দশক ধরে করে এসেছি আমরা।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “এই কাজ পাকিস্তান করেছে, আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ পশ্চিমের দেশগুলির জন্য। এটা আমাদের ভুল ছিল। যার ফল আমাদের ভুগতে হচ্ছে।” স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় সন্ত্রাসবাদে অভিযোগের আঙুল ওঠে আমেরিকার দিকেও।

Advertisement

সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন এই ইস্যু তুলে ধরে প্রশ্ন ছোড়েন এক সাংবাদিক। তবে সুকৌশলে তার জবাব এড়িয়ে যান হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ব্রুস। বরং পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পর দুই দেশের মধ্যে চলা উত্তেজনা প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের যোগাযোগ রেখেছি। ওই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে সমস্তরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গোটা বিশ্ব ওখানকার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে।”

এদিকে দুই দেশের মধ্যে চরম কূটনৈতিক সংঘাতের মাঝেই গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার ঘোষণা করে ভারত সরকার। এর পরই মঙ্গলবার রাত ২টো নাগাদ সোশাল মিডিয়ায় দেশকে সতর্ক করে বিস্ফোরক বার্তা দেন পাকিস্তানের সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লা তাহার। তিনি জানান, ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় সেনা অভিযান শুরু করতে পারে ভারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.