১৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  সোমবার ৩০ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কিছুতেই থামছে না যুদ্ধ, সামরিক চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার সাহায্য চাইল আর্মেনিয়া

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 31, 2020 4:51 pm|    Updated: October 31, 2020 4:55 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজারবাইজানের সঙ্গে তুমুল লড়াই চলছে আর্মেনিয়ার (Armenia)। বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও নড়তে নারাজ দুই পক্ষ। এহেন পরিস্থিতিতে সামরিক চুক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়ে রাশিয়ার (Russia) কাছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত মদত চাইলেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান।

[আরও পড়ুন: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আরও কাবু ব্রিটেন, আগামী সপ্তাহ থেকে ফের শুরু লকডাউন]

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শনিবার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ‘অত্যন্ত জরুরি’ আলোচনার আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পাশিনিয়ান। বলে রাখা ভাল, আর্মেনিয়ার সঙ্গে সামরিক চুক্তি রয়েছে রাশিয়ার। এছাড়া, ওই দেশে একটি সামরিক ঘাঁটিও রয়েছে রুশ সেনাবাহিনীর। তবে সাম্প্রতিক সংঘর্ষে মস্কো জানিয়েছে যে ইয়েরেভানের সঙ্গে থাকা চুক্তি স্বঘোষিত রাষ্ট্র নাগর্নো-কারাবাখের ক্ষেত্রে লাগু হয় না। পালটা আর্মেনিয়ার দাবি, আজারবাইজানকে মদত দিচ্ছে তুরস্ক। এবং সংঘর্ষ শুধমাত্র বিতর্কিত অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নেই। এখন লড়াই আর্মেনিয়ার সীমান্তে চলে এসেছে। ফলে মস্কো চুক্তি মেনে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করুক।

যুযুধান দুই দেশের মধ্যে লড়াই থামানোর অনেক চেষ্টা করেছে ফ্রান্স, আমেরিকা ও রাশিয়া। কিন্তু তিনবার সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হলেও ফের লড়াই শুরু হয়ে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে শুক্রবার জেনেভায় আরও একবার শান্তি ফেরানোর আলোচনা হলেও তা ভেস্তে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করার মতো যথেষ্ট ইন্ধন রয়েছে এই লড়াইয়ে। আর্মেনিয়ার পাশে রাশিয়া দাঁড়ালে পিছপা হবে না তুরস্কও। ফলে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়বে দুই শক্তি। এভাবেই ককেশাসে স্বার্থ কায়েম করতে আমেরিকা-সহ অন্যরাও এই লড়াইয়ে শামিল হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ থেকে আর্মেনীয় অধ্যুষিত বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে জোর লড়াই শুরু করছে আর্মেনিয়া (Armenia) ও আজারবাইজান (Azerbaijan)। রুশ পৌরহিত্যে দু’বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হলে তা ক্ষণস্থায়ী হয়। তাই ককেশাসে শান্তি ফেরাতে কয়েকদিন আগে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসেন মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও। তবে সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। ফলে দুই দেশের মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। যুদ্ধে এপর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

[আরও পড়ুন: মেল-ইন-ব্যালট মামলায় ধাক্কা, সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ট্রাম্প]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement