Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

চিন-পাকিস্তানের OBOR প্রকল্পে প্রবল বিক্ষোভ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে

ইতিমধ্যে প্ল্যাকার্ড হাতে চিনা আগ্রাসন রোখার দাবিতে রাস্তায় নেমে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০১৭, ০৮:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০১৭, ০৮:৩৯

options
link
চিন-পাকিস্তানের OBOR প্রকল্পে প্রবল বিক্ষোভ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’ (OBOR) প্রকল্পের অন্তর্গত ‘চিন-পাকিস্তান ইকোনোমিক করিডর’ নির্মাণের (CPEC) বিরুদ্ধে এবার প্রবল বিক্ষোভ শুরু হয়েছে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে। ‘কারাকোরাম স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন’, গিলগিট বালটিস্তান ইউনাইটেড মুভমেন্ট’, বালাওয়ারিস্তান ন্যাশনাল ফ্রন্ট’ নামের ছাত্র সংগঠন থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। ওই করিডরের মাধ্যমে গিলগিট-বালটিস্তান অঞ্চলকে দাসত্বের শিকলে বাঁধতে চাইছে পাকিস্তান ও চিন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ইতিমধ্যে প্ল্যাকার্ড হাতে চিনা আগ্রাসন রোখার দাবিতে রাস্তায় নেমে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।

[সার্বভৌমত্বে আঘাত, প্রতিবাদে চিনের OBOR সম্মেলন বয়কট ভারতের]

Advertisement

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পই ১৯৪৯ সালের পর চিনা বিদেশ নীতির সব থেকে বড় পদক্ষেপ। রবিবার প্রায় ২৩টি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে চিনে শুরু হয় OBOR সামিট। ইতিমধ্যে ওই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চিনের ওই প্রকল্প ভারতের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

প্রায় ৫১.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের CPEC প্রকল্পের অন্তর্গত চিনের কাশগর প্রদেশের সঙ্গে সড়ক পথে যুক্ত হবে বালোচিস্তানের গ্বদর বন্দর। ইতিমধ্যে বিতর্কিত গিলগিট-বালটিস্তানে একাধিক সৈন্য ঘাঁটি স্থাপন করেছে চিন। দেশ ভাগের সময় জোর করে কাশ্মীরের গিলগিট-বালটিস্তান অঞ্চল দখল করে নেয় পাকিস্তান। তাই ওই অঞ্চলে চিনের উপস্থিতি ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত। ওই অঞ্চলে প্রবল দমননীতি চালিয়ে যাচ্ছে পাক সেনা। হত্যা ও অপহরণের মাধ্যমে আতঙ্কিত করে রাখা হচ্ছে মানুষকে।

[ATM ব্যবহার করেন? এই বিষয়ে সাবধান করছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক]

বালোচিস্তানের গ্বদর বন্দরে চিনা বিনিয়োগ ও প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করছে বালোচ আন্দোলনকারীরা। ভারতীয় জওয়ানদের মুণ্ডচ্ছেদের ঘটনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে ছিলেন বালোচ নেতা মেহরান মারি। পাকিস্তানকে জঙ্গি রাষ্ট্র ও পাক সেনাকে বর্বর ও ক্রিমিনাল বলেছিলেন তিনি। ওই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ‘ওয়ার্ল্ড বালোচ ওম্যানস ফোরাম’-এর প্রেসিডেন্ট নায়লা কাদরি বালোচ। বালোচদের গণহত্যা করছে পাক সেনা। হাজার হাজার মহিলাদের ধর্ষণ করে খুন করছে ওই দেশের সেনা, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক স্তরে এই নারকীয় অত্যাচারের প্রতিবাদ না হলে একদিন বালোচরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই বালোচ নেত্রী।

[সুপ্রিম কোর্টে তিরস্কৃত কারনান]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.