Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nepal Earthquake

মাঝরাতে কেঁপে উঠল নেপাল, ধস বিস্তীর্ণ এলাকায়, বাড়ি ভেঙে মৃত অন্তত ৬

কম্পন অনুভূত হল দিল্লি-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২২, ০৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২২, ০৯:৩১

options
link
মাঝরাতে কেঁপে উঠল নেপাল, ধস বিস্তীর্ণ এলাকায়, বাড়ি ভেঙে মৃত অন্তত ৬ zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নেপালে শক্তিশালী ভূমিকম্প (Earth Quake)। যার দরুণ মাঝরাতে কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকা। যদিও কম্পনের জেরে ভারতে বড়সড় কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে নেপালে বিস্তীর্ণ এলাকায় ধস নেমেছে। ইতিমধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম বহু। মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাত দু’টো নাগাদ কম্পন অনুভূত হয় নেপালের (Nepal) বিস্তীর্ণ এলাকায়। যার প্রভাব পড়েছিল দিল্লি, নয়ডা ও গুরুগ্রাম এলাকাতেও। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৩। মঙ্গলবার রাত দুটো নাগাদ ঘর-বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ। বহু বাড়ি, অফিসের দেওয়ালে ফাটল তৈরি হয়। তবে বড়সড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বুঝতে পারছি’, রুশ বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মত জয়শংকরের]

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমোলজি বলছে, কম্পনের উৎস ছিল নেপাল। নেপালের দোতি জেলার প্রধান আধিকারিক কল্পনা শ্রেষ্ঠা জানিয়েছেন, একাধিক এলাকায় বাড়ি ভেঙে পড়েছে। যার দরুন অন্তত ৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। জখম হয়েছে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তত ৫।  পূর্বচৌকি গ্রাম থেকে আরও ৩ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ভেঙে পড়েছে বহু বাড়ি।

 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালেও কম্পন অনুভূত হয় নেপালের বিভিন্ন এলাকায়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। এরপর দিনভর একাধিকবার আফটার শক অনুভূত হয়। যার জেরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আরও বেশি। ইতিমধ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে নেপালের সেনাবাহিনী। 

 

[আরও পড়ুন: অনলাইন রেশন তুলতে গিয়ে লিঙ্ক সমস্যায় জেরবার আমজনতা, কেন্দ্রের দ্বারস্থ রেশন ডিলাররা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.