Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

তিস্তার জল নিয়ে ভারতের সঙ্গে সংঘাত নয়, বিকল্পের খোঁজে বাংলাদেশ 

স্বস্তিতে ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৮, ১৭:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৮, ১৭:৪৯

options
link
তিস্তার জল নিয়ে ভারতের সঙ্গে সংঘাত নয়, বিকল্পের খোঁজে বাংলাদেশ  zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে আরও মজবুত হয়েছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। আজ বাংলাদেশের সঙ্গে গলায় গলায় ভাব ভারতের। ঢাকা-দিল্লির যুগলবন্দিতে কিছুটা হলেও চিন্তায় পাকিস্তান। তবে এত কিছুর পরও কোথাও যেন কাঁটার মতো বিঁধে রয়েছে তিস্তা জলবন্টন চুক্তি। যা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। তাই তিস্তার জল নিয়ে আর বন্ধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের জল ঘোলা করতে চাইছে না বাংলাদেশ। এবার তিস্তার জলের বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে পরিকল্পনা করছে ঢাকা।

[লোকাল ট্রেনের সিটে বসে অচেতন যাত্রী, হাসপাতালে মৃত্যু]

Advertisement

সূত্রের খবর, তিস্তার জলের উপর আর ভরসা রাখছে না ঢাকা। এবার বিকল্প জলাধার গড়েই সমস্যা মেটাতে আগ্রহী সরকার। এমন আভাস পাওয়া গিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের শীর্ষ নেতাদের থেকেও। তিস্তার জলের ভাগ নিয়ে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে আর তিক্ততা বাড়াতে চায় না সরকার। বরং প্রয়োজনীয় জলের ব্যবস্থা করে বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখাতে চায় সরকার। উল্লেখ্য, সদ্য পশ্চিমবঙ্গ সফর শেষ করে বাংলাদশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অতিথি ছিলেন তিনি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একযোগে পড়ুয়াদের সামনে বক্তব্য রাখেন হাসিনা। দু’দেশের মজবুত সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন তিনি।

সদ্য পশ্চিমবঙ্গ সফর শেষ করে বাংলাদশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সন্ধায় ঢাকার গণভবনে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বসেন হাসিনা। তিস্তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমি তিস্তাচুক্তি করতে ভারতে যাইনি। আমাদের অবদান ভারত জানে। আমরা প্রতিদান চাই না। কূটনীতির মাধ্যমেই তিস্তা জলবন্টন চুক্তির বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে সরকার।” এদিন হাসিনা সাফ জানিয়ে দেন, জল নিয়ে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত করতে চায় না সরকার। পরিবর্তে জলের বিকল্প ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হবে। এর জন্য একাধিক নদীতে খনন কার্য চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এদিন মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা ফের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রক্ত দিয়েছে ভারতীয় জওয়ানরাও। লক্ষ-লক্ষ শরণার্থীদের আশ্রয় দেয় পড়শি দেশ। সব মিলিয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে তিস্তা চিড় ধরাবে না বলেই বার্তা দেন হাসিনা।

[সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গিরা, দিল্লিতে জারি হাই অ্যালার্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.