সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ পুড়িয়ে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে এবার উলটোসুর ধরল চিন। জেহাদিদের মদত দিচ্ছে পাকিস্তান, কার্যত তা মেন নিল বেজিং। এবার লস্কর ও জৈশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পাকিস্তানকে চাপ দিতে চলেছে শি জিনপিংয়ের সরকার। এমনটাই বলা হয়েছে ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে।
[উত্তর কোরিয়াকে সবক শেখাতে অভিযানের ইঙ্গিত ট্রাম্পের]
ওই রিপোর্টে আরও বলা হয় যে, চিনা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, লস্কর-ই-তৈবা ও জৈশ-এ-মহম্মদ জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে ইসলামাবাদকে চাপ দিতে চলেছে বেজিং। চিনা বিশেষজ্ঞ হু শিশাং জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে সমঝোতা করবে না চিন তা ব্রিকস সন্মেলনে হওয়া আলোচনার পর থেকেই এক প্রকার স্পষ্ট। উল্লেখ্য, সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে নাম না করে পাকিস্তানকে বার্তা দিয়েছে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলি। সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে আফগানিস্থান-সহ বিশ্বের সর্বত্র সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা করল ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। বিবৃতিতে লস্কর-ই-তৈবা, জৈশ-ই-মহম্মদের মতো পাক-মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলির নামও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই প্রথম ব্রিকসের যৌথ বিবৃতিতে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের কথা বলা হল।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ব্রিকস সন্মেলন শুরু হওয়ার আগেই চিন জানিয়েছিল, ব্রিকস সম্মেলনের আলোচনায় কোনও জায়গা পাবে না পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ ইস্যু। চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চ্যুনিং সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিল, ব্রিকস মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ আলোচনার সঠিক বিষয় নয়। তাই পাকিস্তানের বিষয়ে আলোচনায় রাজি নন তাঁরা। কিন্তু সমীকরণ পালটে পাকিস্তানকেই জোর ধাক্কা দিল ‘বন্ধু’ চিন। তবে চিনের পথ পরিবর্তনের নেপথ্যে আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদরা। তাই সবাই যখন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরব, তখন একা পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে নিজেকে একঘরে করতে রাজি নয় চিন। ভারতের বিরুদ্ধে ছায়াযুদ্ধ চালাতে জঙ্গিদের মদত দেয় পাকিস্তান। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনের ভরসাতেই আমেরিকা ও ভারতকে উপেক্ষা করছিল পাকিস্তান। কিন্তু এবার ‘পরম বন্ধু’ চিনের উলটো চালে উদ্বিগ্ন ইসলামাবাদ। যদিও এনিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা হয়নি পাকিস্তানের তরফ থেকে।
[মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে প্রাণ বাঁচালেন অন্তত ৫০০ হিন্দু]
প্রসঙ্গত, সোমবার সম্মেলনের পর ব্রিকসের তরফে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আফগানিস্থানে সন্ত্রাসবাদী হামলায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানির ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। ওই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আফগানিস্থানে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে তালিবান, আল-কায়দা ও লস্কর-ই-তৈবা, জৈশ-ই-মহম্মদের মতো সহযোগী সংগঠনগুলি।’
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার