Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BNP

ট্রাম্পের ব্রেকফাস্টে আমন্ত্রিত খালেদাপুত্র তারেক, হবু প্রেসিডেন্টের কাছে ঘেঁষার চেষ্টা বিএনপির!

আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরকেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৫, ১৯:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০২৫, ১৯:০৬

options
link
ট্রাম্পের ব্রেকফাস্টে আমন্ত্রিত খালেদাপুত্র তারেক, হবু প্রেসিডেন্টের কাছে ঘেঁষার চেষ্টা বিএনপির! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের একবার আমেরিকার প্রেসিডেন্টের গদিতে বসতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর শপথ নেওয়ার পর আয়োজিত হবে ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’। আর এই বিশেষ অনুষ্ঠানেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে খালেদা জিয়ার পুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরকেও। এতেই প্রশ্ন উঠছে, হবু মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে ঘেঁষার চেষ্টা করছে খালেদার দল? কারণ ট্রাম্পের জয়ের পরই জল্পনা শুরু হয়েছিল যে, এই বর্ষীয়ান নেতার হাত ধরেই মসনদে প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে গদিচ্যুত হাসিনার। যা নিয়ে শঙ্কার মেঘ জমেছে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের মনেও। মনে করা হচ্ছে, এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ট্রাম্পের মনোভাব বুঝে নিতে চাইছে বিএনপি। 

আগামী ২০ জানুয়ারি আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প। চলছে তোরজোড়। জানা গিয়েছে, এরপর ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন কংগ্রেসের নেতৃত্বে ট্রাম্পের ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। গত শুক্রবার এই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ জানানো হয় বিএনপিকে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন তারেক রহমান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপার্সনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবিষয়ে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

Advertisement

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর প্রথমে চিঠি পাঠিয়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তারপর নাকি ফোনেও কথা হয় দুজনের মধ্যে। আর দুক্ষেত্রেই নিজেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন মুজিবকন্যা। যা নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ইউনুস সরকারের কপালে। চিন্তিত বিএনপিও। বিশ্লেষকদের মতে, ইউনুসের সরকার নির্বাচিত সরকার নয়। হাসিনার পদত্যাগ নিয়েও নানা বিতর্ক রয়েছে।

কারণ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিনও জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর কাছে হাসিনার পদত্যাগপত্র নেই। বাংলাদেশের প্রতিটি অলি-গলি এবং আমজনতার মধ্যেও জল্পনা, ট্রাম্পের হাত ধরেই হয়ত মসনদে প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে হাসিনার। অন্তত সেই স্বপ্ন দেখা শুরু করেছে আওয়ামি লিগ। অন্যদিকে, হাসিনা সরে যাওয়ায় হারানো জমি ফিরে পেতে মরিয়া বিএনপি। তাই তাঁরা জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ক্রমাগত ইউনুস সরকারের উপর চাপ বাড়াচ্ছে। তাই ট্রাম্পের এই আমন্ত্রণে জল মেপে নিতে চাইবে খালেদা জিয়ার দল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.