Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Brazil

মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান, রিও ডি জেনেরিওতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২

কী জানাল পুলিশ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ১৫:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০২৫, ১৫:৪৮

options
link
মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান, রিও ডি জেনেরিওতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাদক কারবারিদের ধ্বংস করতে মঙ্গলবার বিরাট অভিযান শুরু করেছে ব্রাজিল সরকার। আকাশে ড্রোন, সেনা হেলকপ্টারের পাশাপাশি রাস্তায় নেমেছে সাঁজোয়া গাড়িও। ভয়ংকর এই লড়াইয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৩২।

পুলিশ জানিয়েছে, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল রিওর সবচেয়ে শক্তিশালী অপরাধী সংগঠন কোমান্ডো ভার্মেলহোকে গুঁড়িয়ে দেওয়া। নিহতদের মধ্যে ১১৫ জন ওই গ্যাংয়ের সদস্য। অভিযানে মৃত্যু হয়েছে অন্তত চারজন পুলিশ আধিকারিকেরও। মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই অভিযানে মোট ২ হাজার ৫০০ আধিকারিককে নামানো হয়েছিল।

Advertisement

ব্রাজিলের কুখ্যাত অপরাধী সংগঠন কমান্ডো ভার্মেলহো। দেশব্যাপী মাদক ও চোরাচালানের বিরাট নেটওয়ার্ক রয়েছে এদের। এই অপরাধীদের বিরুদ্ধেই মঙ্গলবার অভিযানে নামে পুলিশ। অপরাধীদের একাধিক ঘাঁটিতে ড্রোনের মাধ্যমে বোমা ফেলা হয়। চলে গুলির লড়াই। আকাশে হেলিকপ্টার থেকেও গুলি ছোড়ে সেনা। এহেন হামলায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এই শহরের বাসিন্দারা। এমনকী রিও-র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশেও শোনা যায় গুলির শব্দ। বিরাট এই অভিযানের পর রিও-র রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বহু মৃতদেহ।

অভিযানের পর এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দেন গভর্নর ক্লাউদিও কাস্ত্রো। তিনি লেখেন, ‘আমাদের পুলিশের অপরাধীদের সঙ্গে ঠিক এমনটাই করে। এটা কোনও সাধারণ অভিযান ছিল না, মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান।’ অপরাধীর উপর ড্রোন হামলা চালানোর কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। এই অভিযানে ৮১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। অভিযানের পর সোশাল মিডিয়ায় একাধিক ছিবি ও ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, আকাশ থেকে ড্রোন থেকে ফেলা হচ্ছে বোমা। শহরের একাধিক জায়গায় আগুন জ্বলছে ও কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারপাশ। ওই অঞ্চলের সমস্ত স্কুল আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে এই ভয়ংকর অভিযানের নিন্দায় সরব হয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। ব্রাজিলের মানবাধিকার সংগঠনের প্রধান সিসার মুওজ বলেন, ‘এই ধরনের ভয়ংকর অভিযান অনভিপ্রেত। সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। পুলিশকে অবাধ খুনের লাইসেন্স ধরানো হয়েছে সরকারের তরফে। এটা একধরনের বিপর্যয়। প্রতিটি মৃত্যুর তদন্ত হওয়া উচিত।’ অবশ্য ব্রাজিলে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। কয়েক দশক ধরে রিওতে এই ধরনের অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ২০০৫ সালের মার্চ মাসে, রিওর বাইক্সাডা ফ্লুমিনেন্স অঞ্চলে পুলিশের অভিযানে মৃত্যু হয়েছিল ২৯ জনের। ২০২১ সালের মে মাসে, জ্যাকারেজিনহো ফাভেলায় ২৮ জন নিহত হন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.