Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Canada

কানাডায় ফুলেফেঁপে উঠছে খলিস্তানিরা, মদত পাচ্ছে হামাস-হেজবোল্লাও! অবশেষে মানল ওটোয়া

খলিস্তানিদের পাশাপাশি হামাস, হিজবুল্লাহর মতো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গেও কানাডার আর্থিক যোগাযোগ রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫, ১৩:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৫, ১৩:১৫

options
link
কানাডায় ফুলেফেঁপে উঠছে খলিস্তানিরা, মদত পাচ্ছে হামাস-হেজবোল্লাও! অবশেষে মানল ওটোয়া zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কানাডা থেকে তহবিল সংগ্রহ করেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে খলিস্তানি সংগঠনগুলি। এমনটাই প্রকাশ্যে এল কানাডা সরকারের রিপোর্টে। এতদিন এটা মোটামুটি ওপেন সিক্রেট ছিল যে বব্বর খালসা, আন্তর্জাতিক শিখ যুব ফেডারেশন, শিখস ফর জাস্টিস-এর মতো খলিস্তানি সংগঠনগুলি কানাডাকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। সদ্যই কানাডার অর্থমন্ত্রকের একটি চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে জানানো হয়েছে, কানাডাতেই নিজেদের সংগঠনের জাল বিস্তার করছে খলিস্তানিরা। দেশ থেকে আর্থিক সাহায্যও পাচ্ছে তাঁরা। এমনকী কানাডাই একমাত্র দেশ নয়, আরও বেশ কিছু দেশ থেকেও চরমপন্থী শিখ সংগঠনগুলি অর্থ সংগ্রহ করছে বলে সন্দেহ করছেন গোয়েন্দারা।

রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, খলিস্তানিদের পাশাপাশি হামাস এবং হেজবোল্লার মতো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গেও কানাডার আর্থিক যোগাযোগ রয়েছে। যে সংগঠনগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চরমপন্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে। চরমপন্থী সংগঠনগুলি দাতব্য তহবিল, মাদক পাচার এবং গাড়ি চুরি করে অর্থ সংগ্রহ করছে। খলিস্তানি সংগঠনগুলি এনজিও হিসেবেও টাকা সংগ্রহ করছে, এমনকী কানাডার প্রবাসী ভারতীয়দের কাছ থেকেও দান চাইছে তাঁরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, মাসখানেক আগেই কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস(CISIS) জানিয়েছিল, ভারতে নাশকতার পরিকল্পনা করতে কানাডার মাটিকে ব্যবহার করছে খলিস্তানি জঙ্গিরা। সংস্থা আরও জানিয়েছিল, খলিস্তানি চরমপন্থীরা তহবিল সংগ্রহের জন্যও কানাডাকেই নিজেদের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে। কানাডার অভ্যন্তরে বিদেশী হস্তক্ষেপ এবং চরমপন্থী কার্যকলাপ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটটিকে উল্লেখ করা হয়েছিল গোয়েন্দাদের তরফে।

বেশ কয়েক বছর ধরেই কানাডার মাটিতে খালিস্তানি চরমপন্থীদের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে ভারত। যদিও কানাডা এই বিষয়ে চোখ বন্ধ করে ছিল। কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে ভারত সরকারের কূটনৈতিক টানাপোড়েন ও বৈরিতা এখন অতীত। কানাডার নয়া প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খলিস্থানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ড পরবর্তী কূটনৈতিক বিবাদের পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের উপর জোর দেন উভয় রাষ্ট্র নেতা। দীনেশ কে পট্টনায়েককে কানাডায় ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্তও ঘোষণা করেছে নয়াদিল্লি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.