Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
Red Sea

যুদ্ধের দামামা এবার লোহিত সাগরে! ইয়েমেনের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে মারণ হামলা, নেপথ্যে কারা?

হরমুজ আপাতত শান্ত হলেও এবার যুদ্ধের দামামা বাজল লোহিত সাগরে। ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হল এক বাণিজ্যিক জাহাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ২১:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৬, ২১:১৪

options
link
যুদ্ধের দামামা এবার লোহিত সাগরে! ইয়েমেনের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজে মারণ হামলা, নেপথ্যে কারা? zoom
লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে মারণ হামলা।

হরমুজ আপাতত শান্ত হলেও এবার যুদ্ধের দামামা বাজল লোহিত সাগরে। ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হল এক বাণিজ্যিক জাহাজ। রবিবার এই হামলার কথা প্রকাশ্যে এনেছে ব্রিটেনের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO)। যদিও এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি কোনও সশস্ত্র গোষ্ঠী। যদিও এই হামলায় বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।

ইউকেএমটিও রবিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলার ঘটনা ঘটেছে ইয়েমেনের উপকূলীয় শহর হোদাইদার কাছে। এই অঞ্চল ইরান সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হাউথি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ওই বাণিজ্যিক জাহাজ যখন আক্রান্ত হয় তখন সেটি উপকূল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। হামলার সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী জাহাজগুলিতে এই তথ্য জানান জাহাজের নাবিকরা। কে বা কারা এই হামলা চালাল তার তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক বিভাগ। এই হামলা এমন সময়ে ঘটল যখন লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর দিয়ে যাতায়াত করা জাহাজগুলোর ওপর ফের হামলার হুমকি দিয়েছে হাউথিরা। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে হাউথিরাই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই অঞ্চল ইরান সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠন হাউথি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ওই বাণিজ্যিক জাহাজ যখন আক্রান্ত হয় তখন সেটি উপকূল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল।

উল্লেখ্য, গাজা যুদ্ধ চলাকালীন ২০২৩ সালে হাউথি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল এই অঞ্চল। দক্ষিণ লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালীতে চলাচলকারী জাহাজগুলিকে নিশানা করেছিল ইরান সমর্থিত এই সংগঠনটি। ড্রোন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র-সহ অন্যান্য আধুনিক অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত হয় বহু জাহাজ। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর আকার নেয় যে আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থাগুলি আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত (কেপ অফ গুড হোপ) হয়ে দীর্ঘ ব্যয়বহুল পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়।

তবে শুধু হাউথি নয়, লোহিত সাগরের এহেন অচলাবস্থায় ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে সোমালি জলদস্যুরা। এডেন উপসাগর এবং এর পার্শ্ববর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও এদের সক্রিয়তা ফের নজরে এসেছে। গত ১ জুলাই দক্ষিণ-পূর্ব ইয়েমেনের বন্দর নগরী বালহাফের ৭৬ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণে এমনই জলদস্যু হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ইউকেএমটিও-এর মতে, চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি ছোট নৌকায় এসে একটি জাহাজে হামলা করে ক্ষতিগ্রস্ত হয় জাহাজের কন্ট্রোল রুম। এই হামলায় সোমালি জলদস্যুদের হাত থাকার সম্ভাবনাও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.