Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Monika Kapoor

২৫ বছর পলাতক! আমদানি-রফতানি জালিয়াতি মামলার অভিযুক্ত মণিকাকে ভারতে প্রত্যর্পণ আমেরিকার

২০১০ সালের অক্টোবরে ভারত সরকার তাঁর প্রত্যর্পণ চায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৫, ১২:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৫, ১২:০৭

options
link
২৫ বছর পলাতক! আমদানি-রফতানি জালিয়াতি মামলার অভিযুক্ত মণিকাকে ভারতে প্রত্যর্পণ আমেরিকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় পলাতক থাকার পর অবশেষে আমেরিকা থেকে ভারতে প্রত্যার্পিত হলেন আমদানি-রফতানি জালিয়াতি মামলার অভিযুক্ত মণিকা কাপুর। কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই বুধবার জানিয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের সহায়তায় মঙ্গলবার তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং রাতেই আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে তাঁকে ভারতে আনা হচ্ছে। সিবিআই জানিয়েছে, ভারতে এনে মণিকা কাপুরকে সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করা হবে এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, মণিকা কাপুর ছিলেন ‘মণিকা ওভারসিজ’-এর কর্ণধার। তাঁর দুই ভাই, রাজন খান্না ও রাজীব খান্নাকে সঙ্গে নিয়ে, তিনি ভারতের রত্ন ও অলঙ্কার রফতানির নামে ভুয়া শিপিং বিল, চালানপত্র ও ব্যাঙ্ক সার্টিফিকেট তৈরি করে সরকারের কাছ থেকে শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে এই লাইসেন্স তঁারা প্রিমিয়ামে বিক্রি করেন আমেদাবাদ-ভিত্তিক ‘দীপ এক্সপোর্টস’ নামক এক সংস্থাকে। সেই সংস্থা এই লাইসেন্স ব্যবহার করে শুল্কমুক্ত সোনা আমদানি করে, যার ফলে সরকারের প্রায় ১.৪৪ কোটি টাকা ক্ষতি হয়। সিবিআই ২০০২ সালে তদন্ত শুরু করে এবং ২০০৪ সালের ৩১ মার্চ মণিকা কাপুর ও তাঁর ভাইদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা ও জালিয়াতির ধারায় চার্জশিট পেশ করে। ২০১৭ সালে ভাইরা সাজা পেলেও মণিকা কাপুর ১৯৯৯ সাল থেকেই পলাতক ছিলেন। ২০০৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ‘প্রোক্লেইমড অফেন্ডার’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০১০ সালের অক্টোবরে ভারত সরকার তাঁর প্রত্যর্পণ চায়। ২০১২ সালে নিউ ইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট তা অনুমোদন করে। কিন্তু মণিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ সচিবের কাছে আপিল করেন, দাবি করেন যে ভারতে তাঁকে নির্যাতনের মুখে পড়তে হবে। তিনি রাষ্ট্রসংঘের ‘কনভেনশন এগেনস্ট টরচার’-এর অধীনে রক্ষাকবচ পাওয়ার দাবিও জানান। তবে আমেরিকার বিদেশ সচিব সেই আপিল খারিজ করে তাঁর প্রত্যর্পণের আদেশে সই করেন। এর পরও দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চলে যুক্তরাষ্ট্রের নানা আদালত ও প্রশাসনিক মহলে। অবশেষে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কোর্ট অফ অ্যাপিলস ফর দ্য সেকেন্ড সার্কিট’ মণিকা কাপুরের প্রত্যর্পণ বহাল রাখে। এতদিনে আইনের চাকা ঘুরে আবার ভারতে ফিরলেন তিনি। গত ৩-৪ বছরে সিবিআই ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের প্রচেষ্টায় ১২০-রও বেশি পলাতককে প্রত্যর্পণ বা দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে সদ্য ৪ জুলাই আমেরিকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত নীরব মোদির ভাই নেহাল মোদিও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.