সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ দক্ষিণপন্থী নেতা চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ডে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। হত্যাকারী গ্রেপ্তার হলেও এই ঘটনার নেপথ্যে বড় মাথা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এরইমাঝে চার্লি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা পিটার নাভারো। তাঁর দাবি, “আগামী দিনে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন চার্লি। গত ৫০ বছরের মধ্যে আমেরিকার সবচেয়ে মহান রাজনৈতিক সংগঠক।”
সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন সচিব নাভার বলেন, “চার্লিকে ডেভিড অ্যাক্সলেরড এবং রাল্ফ রিডের সমকক্ষ একজন রাজনৈতিক সংগঠক। তিনি ২০০৮ এবং ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রচারের সময় ডেমোক্র্যাটিকদের প্রধান পরামর্শদাতা ছিলেন। রাল্ফ রিড ১৯৯০-এর দশকে স্টুডেন্টস ফর আমেরিকা (SFA) গোষ্ঠীর প্রধান মুখ ছিলেন।” একইসঙ্গে নাভারো বলেন, “আমি মনে করি, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে পারতেন চার্লি। গত ৫০ বছরের মধ্যে আমেরিকার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংগঠককে উনি। চার্লিকে একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তি হিসেবে আমাদের স্মরণ করা উচিত।”
উল্লেখ্য, গত বুধবার ১০ সেপ্টেম্বর, আমেরিকার উটার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখছিলেন চার্লি। সেই সময় অনুষ্ঠান চলাকালীন ক্যাম্পাসের ছাদ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি ছোড়ে আততায়ী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই হত্যাকাণ্ডে ২২ বছর বয়সী যুবক টাইলার রবিনসনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে যে রবিনসন কার্কের অতি-ডানপন্থী রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ঘৃণা করতেন। যদিও খুনের নেপথ্যে বড় মাথা রয়েছে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের অন্যতম সহযোগী ছিলেন বছর একত্রিশের কার্ক। আমেরিকার তরুণ ভোটারদের বিপাবলিকান পার্টির দিকে আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প কার্ককে তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের একজন বলে মনে করতেন। ট্রাম্প এই হত্যাকাণ্ডের জন্য উগ্র বামপন্থীদের দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, কার্ক সত্য ও স্বাধীনতার জন্য শহিদ হয়েছেন। ট্রাম্প সরকার চার্লি কার্ককে আমেরিকার সবচেয়ে বড় অসামরিক সম্মান ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম’ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।
সর্বশেষ খবর
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?
-
দিল্লি দরবারে বৈঠক শেষে ‘খুশি’ মনে রাজ্যে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী, আজ রাতেই দপ্তর বণ্টন!
-
অভিষেকের কথাই শেষ কথা নয়! দলের খোলনলচে বদলে বড় সিদ্ধান্ত বিদ্রোহে ‘বিপন্ন’ মমতার
-
ভারতে ইবোলার হানা! জয়পুরে উগান্ডার পর্যটকের শরীরে সংক্রমণের লক্ষণ ঘিরে চর্চা