২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘ইউহানের অনেক আগেই বিশ্বে মহামারী ছড়িয়েছিল’, পিঠ বাঁচাতে নয়া তত্ত্ব চিনের

Published by: Paramita Paul |    Posted: October 10, 2020 9:50 am|    Updated: October 10, 2020 9:54 am

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস (Corona Virus) সংক্রমণ নিয়ে গোটা বিশ্বে কোনঠাসা চিন (China)। এবার নিজেদের পিঠ বাঁচাতে নতুন এক তত্ত্ব খাড়া করার চেষ্টা করল বেজিং। চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনিংয়ের দাবি, ইউহানের করোনা সংক্রমণের অনেক আগেই দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে এই মারণ ভাইরাস ছড়িয়েছিল। তবে ইউহানই প্রথম এটা নিয়ে রিপোর্ট করেছিল।

গত বছরের শেষের দিক থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। চিনের ইউহান শহরে প্রথম এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। সেখানকার সামুদ্রিক বাজার থেকে এই রোগ ছড়িয়েছিল বলে দাবি করেছিল চিন। এদিনও সেই দাবিতে অনড় থেকেছে তাঁরা। বেজিংয়ের সাংবাদিক বৈঠকে হুয়া দাবি করেন, চিনের উপর দোষ চাপাচ্ছে গোটা দুনিয়া। অথচ করোনা সংক্রমণ ইউহান থেকে ছড়ায়নি। তাঁর দাবি, ইউহান যখন মারণ ভাইরাসের খবর দিয়েছিল তার আগেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। নিজেদের পিঠ চাপড়ে হুয়ার মন্তব্য, চিন তো ভাইরাসকে চিহ্নিত করে সঠিক খবর সামনে এনেছিল।

[আরও পড়ুন : ইমরানের প্রশাসন ও পাকিস্তানি সেনার অত্যাচারের প্রতিবাদ, উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর]

চিনে করোনা ভাইরাসের জিনের গঠন বিন্যাস পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতেই এই প্রমাণ মিলেছে বলে খবর। হুয়া জানিয়েছেন, ভাইরাসের জিনোম বিশ্লেষণ করে বোঝা গিয়েছে, ইউহান থেকে নাকি এই ভাইরাল স্ট্রেন ছড়ায়নি। তাঁদের আরও দাবি, চিন সবচেয়ে আগে করোনা ভাইরাসের জিনের গঠন সামনে এনেছিল। তার মানে এই নয় যে, ভাইরাস চিন থেকেই ছড়িয়েছে।

আমেরিকার দাবি উড়িয়ে চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া বলেছেন, ইউহানের বায়োসেফটি ল্যাবরেটরি থেকে ভাইরাল ছড়ানোর খবর রটেছে। সেটা একেবারেই সঠিক নয়। আমেরিকা এই ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে সারা বিশ্বে। বলা হয়েছে, চিনের ওয়েট মার্কেট থেকে ভাইরাস নাকি বাদুড় ও প্যাঙ্গোলিনের মারফৎ ছড়িয়ে পড়েছে। এই তথ্যও ভুল বলে দাবি করেছেন হুয়া। যা দেখে ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, করোনা সংক্রমণকে কেন্দ্র করে গোটা বিশ্বে কোনঠাসা চিন। এবার নিজেদের পিঠ বাঁচাতে নয়া তত্ত্ব খাড়া করতে চাইছে। 

[আরও পড়ুন : খিদের জ্বালার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের স্বীকৃতি, নোবেল শান্তি পুরস্কার পেল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি]

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement