Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
China

গালওয়ান অতীত! দিল্লির পরই পূর্ব লাদাখে বন্দুক নামিয়ে রাখার বার্তা চিনেরও

লাদাখ সীমান্তে সে প্রত্যাহার নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তির কথা ঘোষণা করল জিনপিং প্রশাসন!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৪, ১৮:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৪, ১৮:২৫

options
link
গালওয়ান অতীত! দিল্লির পরই পূর্ব লাদাখে বন্দুক নামিয়ে রাখার বার্তা চিনেরও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তের সংঘাত মেটাতে একমত দুই দেশ। সোমবারই বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি জানিয়েছিলেন বেশ কয়েকটি বিষয়ে একমত দিল্লি-বেজিং। মঙ্গলবার চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও সেই বক্তব্যেই সবুজ সংকেত দেওয়া হল। এক সংবাদমাধ্যম সূত্রের তেমনই দাবি। যা থেকে পরিষ্কার, এবার সীমান্তে বন্দুক নামিয়ে রাখতে একমত হয়েছে দুই দেশ। 

সেই সূত্র জানাচ্ছে, চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, ”সাম্প্রতিক সময়ে চিন ও ভারত সামরিক ও কূটনীতিক দুই স্তরেই দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা চালিয়েছে বার বার। আর এবার দুই পক্ষই প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে, যা নিয়ে চিন আগেও সরব হয়েছে।”

Advertisement

এদিকে মোদির সফরের আগে সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রি। সেখানেই তিনি বলেন, ”গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারত এবং চিনের মধ্যস্থতাকারীরা লাগাতার আলোচনা করেছেন। তার পরে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার পরে সেনা সরানো এবং ২০২০ সাল থেকে তৈরি হওয়া সমস্যাগুলো সমাধান করতে দুই দেশ পদক্ষেপ করবে।” তবে সীমান্তে নজরদারি চলবে।

প্রসঙ্গত, করোনাকালে অর্থাৎ গত ২০২০ সালে গালওয়ান অঞ্চলে চিনা আগ্রাসনের মুখে পড়েন ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। সেই থেকেই উত্তপ্ত দুই দেশের সীমান্ত-সংঘাত। তার পর থেকে একাধিকবার দুই দেশের সেনা বৈঠকে বসলেও রফাসূত্র মেলেনি। কিন্তু গত আগস্টে দুই দেশের মধ্যে বরফ গলার ইঙ্গিত মিলেছিল এক বৈঠক ঘিরে। তবে এবার সেই সম্ভাবনাতেই সিলমোহর পড়ল। সূত্রের খবর, সীমান্ত এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে সামরিক তৎপরতা কমাবে ভারত এবং চিন। তবে আগের মতোই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার এলাকায় চলবে দুই দেশের সেনার নজরদারি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.