Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
চিনা যুদ্ধবিমান

লাদাখ সীমান্তে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে চিনা যুদ্ধবিমান, উপগ্রহ চিত্রে প্রকাশ্যে ‘ড্রাগনে’র অভিসন্ধি

লাদাখ সীমান্তে ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে চলেছে চিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ২৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২০, ২৩:৩৪

options
link
লাদাখ সীমান্তে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে চিনা যুদ্ধবিমান, উপগ্রহ চিত্রে প্রকাশ্যে ‘ড্রাগনে’র অভিসন্ধি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ সীমান্তের ওপারে ক্রমেই শক্তি বাড়িয়ে চলেছে চিন। এবার উপগ্রহ চিত্রে জানা গিয়েছে লাদাখের প্যাংগং লেক থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে বিশ্বের উচ্চতম বিমানঘাঁটিগুলির মধ্যে অন্যতম গারি গুনশা ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে রেখেছে ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’।

[আরও পড়ুন: সীমান্ত নিয়ে তুঙ্গে ভারত-চিন বিবাদ, মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]

এক প্রথমসারির সংবাদমাধ্যম কয়েকটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছে, প্যাংগং লেক থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে বিশ্বের উচ্চতম বিমানঘাঁটিগুলির মধ্যে অন্যতম গারি গুনশায় বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চিনা ফৌজ। লাইন অফ কন্ট্রোলের কাছে মোতায়েন বিমানগুলির মধ্যে অন্যতম হল J-11 এবং J-16 ফাইটার। ৬ এপ্রিলের স্যাটেলাইটের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, অসামরিক বিমান ঘাঁটি রূপেও ব্যবহার হওয়া গারি গুনশায় সেই অর্থে সমরসজ্জা নেই। কিন্তু তারপর ২১ মে-তে পাঠানো ছবি সম্পূর্ণ ভিন্ন ইশারা করছে। মাস দেড়েকের মধ্যেই গারি গুনশায় বিপুল নির্মাণের বিষয়টি বোঝা যাচ্ছে ছবি দেখেই। আগেই ভারত-চিন সংঘাতের পরিস্থিতির মধ্যেই যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে সেনাকে নির্দেশ দিয়েছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, এবার লাদাখ সীমান্তে রীতিমতো যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে চিন। করোনা আবহে মহামারি থেকে নজর ঘোরাতে এবং হংকংয়ে চলা বিক্ষোভের আঁচে বিপাকে পড়ে ভারতের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করতে পারেন জিনপিং। বিমান মোতায়েন নিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন পাইলট ও কারগিল যোদ্ধা সমীর জোশীর বক্তব্য, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গারি গুনশায়র উচ্চতা ৪ হাজার ২৭৪ মিটার। এর ফলে চিনা যুদ্ধবিমানগুলি সীমিত পরিমাণের মিসাইল ও বোমা নিয়ে উড়তে পারবে। এবং খুব বেশি ঘণ্টাখানেক বাতাসে থাকতে পারবে সেগুলি। কিন্তু মাঝ আকাশে জ্বালানি ভরলে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানগুলি ৩ থেক ৪ ঘণ্টা আকাশে থাকবে। তবে ভারতীয় ফৌজকে সাবধান হতে হবে।

প্রসঙ্গত, লাদাখে চলা সংঘাত নিয়ে আলোচনা করতে গত মঙ্গলবার সন্ধেয় জরুরি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval), ও সেনা সর্বাধিনায়ক (চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ) জেনারেল বিপিন রাওয়াত (General Bipin Rawat)। উপস্থিত ছিলেন স্থলসেনা প্রধান জেনারেল এম এম নারভানে, বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এস কে ভাদোরিয়া, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং। সব মিলিয়ে এই মুহূর্ত দুই পড়শি দেশের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।

[আরও পড়ুন: ‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হও’, সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই চিনা সেনাকে নির্দেশ জিনপিংয়ের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.