Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Pakistan-China

তুরস্কের পর পাকিস্তানের পাশে ‘চিরসখা’ বেজিং! ফোনে কথা পাক ও চিনা বিদেশমন্ত্রীর

পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাকিস্তানের প্রশংসা চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৫, ০০:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৫, ০০:৩৩

options
link
তুরস্কের পর পাকিস্তানের পাশে ‘চিরসখা’ বেজিং! ফোনে কথা পাক ও চিনা বিদেশমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তুরস্ক আগেই পাশে থাকার বার্তা দিয়েছিল। ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির পর এবার ‘চিরসখা’ চিনও সরাসরি এসে দাঁড়াল পাকিস্তানের পাশে। সূত্রের খবর, শনিবার রাতে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারকে ফোন করলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি জানান, ‘বন্ধু’ দেশের সীমান্ত রক্ষা, নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ইসলামাবাদের যে কোনও পদক্ষেপ বরাবর বেজিং সমর্থন করে এসেছে, পরবর্তীতেও করবে। সূত্রের আরও খবর, ওয়াং ই-র কাছে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ জিগির সংক্রান্ত সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন দার। তাতে চিনা বিদেশমন্ত্রীর বার্তা, চ্যালেঞ্জ নিয়েও যেভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে শাহবাজ শরিফ প্রশাসন, তা প্রশংসার।

বিশেষত সংঘর্ষবিরতির পদক্ষেপ নেওয়া যথাযথ বলে মনে করছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী।

Advertisement

সূত্রের খবর, শনিবার বিকেলে দু’দেশের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির পরই ইসালামাবাদকে সমর্থন জানাতে পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারকে ফোন করেন চিনের ওয়াং ই। পাক বিদেশমন্ত্রক সূত্রে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ”পাকিস্তানের বরাবরের বন্ধু, পারস্পরিক সহযোগী দেশ চিন। এই পরিস্থিতিতে সেই বন্ধুত্বই অটুট রাখার বার্তা দিয়েছেন ওয়াং। সেইসঙ্গে পাকিস্তানের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে কোনও পদক্ষপের পাশে থাকার কথা বলেছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী।” উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন পাকিস্তানকে সমর্থন জানিয়েছিল তুরস্ক। সে দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন ইশাক দার। এছাড়া আরব আমরশাহীর উপপ্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন। তাঁরা ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান।

 
আসলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিজেদের পক্ষে সমর্থন কতটা, সেই জল মেপে নিতেই সহযোগী দেশের সঙ্গে সক্রিয় সমন্বয়ে আগ্রহী হয়েছিল পাকিস্তান। সেই কারণেই তুরস্ক, চিনের সঙ্গে ফোনালাপ। কিন্তু শনিবার সংঘর্ষবিরতির পরও কয়েকঘণ্টার মধ্যে যেভাবে তা লঙ্ঘন করে পাক সেনা ভারতের উপর হামলা চালাল, তাতে ফের সে দেশের নিন্দনীয় ভূমিকা সামনে এসেছে। তার মধ্যে চিনের সমর্থন বাড়তি অক্সিজেন জোগাল ইসলামাবাদকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.