Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
Pahalgam Terror Attack

পহেলগাঁও হামলার নিন্দায় মুখর ‘পাকবন্ধু’ চিন! ভারতের পাশে থাকার বার্তা ইরানেরও 

চিনের দেওয়া ড্রোন দিয়েই পাকিস্তান ভারতে হামলার চেষ্টা করেছিল বলে জানা যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৫, ১১:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৫, ১১:৫২

options
link
পহেলগাঁও হামলার নিন্দায় মুখর ‘পাকবন্ধু’ চিন! ভারতের পাশে থাকার বার্তা ইরানেরও  zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে ও সন্ত্রাস দমনে ভারতের পাশে থাকার বার্তা ব্রিকস সংসদীয় ফোরামের। যে ফোরামের অন্যতম সদস্য আন্তর্জাতিক আঙিনায় ‘পাকিস্তানের বন্ধু’ বলে পরিচিত চিনও! এক যৌথ বিবৃতি দিয়ে সন্ত্রাস দমনে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে ফোরামের সদস্য সমস্ত দেশ। যার মধ্যে রয়েছে ইরান। এর ফলে কূটনৈতিক মহলে পাকিস্তানের উপরে চাপ যে আরও বাড়ল, তা বলাই যায়। 

ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ায় অনুষ্ঠিত ১১ তম ব্রিকস পার্লামেন্টারিতে অংশ নিয়েছে ভারত, ব্রাজিল, রাশিয়া, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, মিশর, ইথিওপিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া। সেই অনুষ্ঠানেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সভাপতিত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি একটি যৌথ বিবৃতি দিয়ে সন্ত্রাস দমনে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দেয় চিন, ইরান-সহ বাকি দেশগুলি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সন্ত্রাস রুখতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার-সহ একাধিক প্রস্তাব দেন ওম বিড়লা। ৫ জুন শেষ হওয়া দু’দিনের ব্রিকস সংসদীয় ফোরামে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা, বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিকে ১২ তম ব্রিকস সংসদীয় ফোরামের জন্য ওম বিড়লাকে সভাপতি নির্বাচন করা হয়েছে। অর্থাৎ ২০২৬ সালে ১২ তম ব্রিকস সংসদীয় ফোরামের আসর বসবে ভারতে।

উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওে হামলা চালায় সন্ত্রাসবাদীরা। ধর্ম দেখে দেখে গুলি করে হত্যা করা হয় পর্যটকদের। জঙ্গিদের হামলায় ২৬ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। এরপরেই পাকিস্তান ও পাক অধীকৃত কাশ্মীরে থাকা সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারত। ভারতীয় সেনা ও বিমানবাহিনীর প্রত্যাঘাতে জঙ্গিদের ৯টি ঘাঁটি গুড়িয়ে যায়। মৃত্যু হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গির। এদিকে এরপরই ভারত-পাক যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। সীমান্ত এলাকায় গ্রাম ও ধর্মীয়স্থানগুলিতে ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে পাক রেঞ্জার্স। যদিও ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাকিস্তানের সেই হামলা রুখে দেয়। এদিকে পাকিস্তান যে ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছিল সেগুলি চিনে তৈরি বলে জানা যায়। এই ইস্যুতে চিনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিল ভারত। বলা হয়েছিল পাক সন্ত্রাসকে তলে তলে সহযোগিতা করছে চিন। এবার সেই চিনই কার্যত পাকিস্তানের পাশে না থেকে ভারতের পাশে থাকার কূটনৈতিক কৌশল নিল বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.