Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Taiwan

ছ’বছরের মধ্যেই তাইওয়ানে হামলা চালাবে চিন, দাবি মার্কিন সেনাকর্তার

একাধিকবার তাইওয়ান দখলের কথাও বলেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২১, ০৯:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২১, ০৯:৫৪

options
link
ছ’বছরের মধ্যেই তাইওয়ানে হামলা চালাবে চিন, দাবি মার্কিন সেনাকর্তার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী বছর ছয়েকের মধ্যেই তাইওয়ান দখল করতে হামলা চালাবে চিন। আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়ে এমনটাই দাবি করেছেন এক শীর্ষ মার্কিন সেনাকর্তা।

[আরও পড়ুন: দলাই লামার উত্তরসূরি নির্বাচনে নাক গলানো বন্ধ করুক চিন, হুঁশিয়ারি আমেরিকার]

যেন তেন প্রকারেণ তাইওয়ান দখল করতে মরিয়া চিন (China)। তবে মার্কিন ‘রক্ষাকবচ’ ভেদ করে সরাসরি সংঘাতে নামতে সাহস পাচ্ছে না কমিউনিস্ট দেশটি। তাই আগামী কয়েক বছর সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে আসরে নামতে চলেছে কমিউনিস্ট দেশটি বলে আশঙ্কা। বেজিংয়ে (Beijing) ক্ষমতার রাশ শি জিনপিংয়ের হাতে আসার পর থেকেই আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে কমিউনিস্ট দেশটি। একাধিকবার জোর করে তাইওয়ান দখলের কথাও বলেছেন প্রেসিডেন্ট শি। তারপর থেকেই আরও সতর্ক হয়ে গিয়েছে দেশটি। লালফৌজের হামলা ঠেকাতে সামরিক বাহিনীকে অত্যাধুনিক হাতিয়ারে সাজিয়ে তুলছে তাইওয়ান। দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ার সুবাদে সমুদ্রেই চিনকে রুখে দিতে এবার দেশেই অত্যাধুনিক সাবমেরিন বাহিনী তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। বর্তমানে তাইওয়ানের কাছে যে ডুবোজাহাজগুলি আছে সেগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আমলের। এহেন পরিস্থিতিতে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মার্কিন সেনকর্তা অ্যাডমিরাল ফিলিপ ডেভিডসনের বক্তব্য, “২০৫০ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমেরিকার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো ক্ষমতা অর্জন করতে চায় চিন (China)। তারা আন্তর্জাতিক আইন সেই অর্থে মানে না। এই বিষয়ে আমি উদ্বিগ্ন। মার মনে হয়, আগামী ছয় বছরের মধ্যে তাইওয়ান দখল করতে হামলা চালাবে চিন।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গতবছর চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে তাইওয়ানকে (Taiwan) মিসাইল দেওয়ার কথা ঘোষণা করে আমেরিকা। সেবার ১০০টি হারপুন ক্ষেপণাস্ত্র বা কোস্টাল ডিফেন্স সিস্টেম বিক্রির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রশাসন। এই অস্ত্র চুক্তি যে চিনের উপর চাপ বাড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এর আগে আগস্টের ১০ তারিখ চিনের আপত্তি উড়িয়ে তাইওয়ান সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যালেক্স আজার। তাইপে গিয়ে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গণতান্ত্রিক তাইওয়ানের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের জোরাল সমর্থন রয়েছে বলে জানান। সব মিলিয়ে চিন সামরিক পদক্ষেপ করলে তাইওয়ানের মদত করবে আমেরিকা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

[আরও পড়ুন: বন্দুকের সামনে বুক পেতে দাঁড়ালেন সন্ন্যাসিনী, হৃদয় মোচরানো মায়ানমারের ছবি ভাইরাল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.