Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

যেন সিনেমার মতো, ২৪ বছর পর হারানো ছেলেকে ফিরে পেলেন বাবা

১ লাখ ৮০ হাজার নিখোঁজ নোটিসের পর মিলল ছেলের সন্ধান৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৮, ১৮:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৮, ১৮:৪৯

options
link
যেন সিনেমার মতো, ২৪ বছর পর হারানো ছেলেকে ফিরে পেলেন বাবা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন কোনও সিনেমার চিত্রনাট্য৷ যেমনটা দেখা গিয়েছিল বলিউডের বজরঙ্গি ভাইজান বা টিউবলাইট সিনেমাতে৷ ২৪ বছর আগে নিজের হারানো ছেলের হদিশ পেলেন এক বাবা৷ যুবক অবস্থায় যে ছেলেকে শেষবার দেখেছিলেন ২৪ বছর পর তাঁর মুখে ‘বাবা’ ডাক শুনলেন বৃদ্ধ অবস্থায় এসে৷ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হল তাদের সম্পর্ক৷

[গর্ভপাতকে ‘বৈধ’ করে ইতিহাস গড়ল আয়ারল্যান্ড]

Advertisement

২৪ বছর আগে ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন চিনে বসবাসকারী লি সুনজি৷ কিন্তু সেখানেই নেমে আসে তাঁর জীবনে চরম বিপর্যয়৷ ভিড়ের মাঝে হারিয়ে যায় তাঁর তিনবছরের ছেলে লি লেই৷ অনেক চেষ্টা করেও মেলেনি ছেলের সন্ধান৷ সন্তান হারানোর জ্বালা দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন লি সুনজি৷ সময়ে সময়ে হতাশা গ্রাস করলেও হাল ছাড়েননি তিনি৷ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ছেলের সন্ধান শুরু করেন৷ চিনের একাধিক থানায় দেন নিখোঁজ নোটিস৷ যার সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার৷ বাদ পড়েনি সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া৷ এমনকি নিজের কাছে একটি বোর্ড রাখতেন লি সুনজি৷ সেখানেও লেখা থাকত তাঁর হারানো ছেলের সম্পূর্ণ বিবরণ৷ আশা, যদি কোনও সহৃদয় ব্যক্তি ফিরিয়ে দেন তাঁর পরমপ্রিয় লি লেই-কে৷ তবুও আসেনি ছেলের সন্ধান৷ হতাশাগ্রস্থ লি সুনজি নিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র চলে যান৷ শুরু করেন নতুন ব্যবসা৷

[পাকিস্তানে বলিউডের ছবি প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা, ইদে ব্রাত্য অন্য দেশের ছবিও]

কিন্তু ঈশ্বর সত্যি রয়েছেন৷ যখন সমস্ত আশা ফুরিয়ে যায়, তখনই আসে সেই খবর৷ একদিন হঠাৎ করে লি সুনজির সঙ্গে যোগাযোগ করেন এক দম্পতি৷ তারা জানান ২৪ বছর আগে ওই অনুষ্ঠান থেকে একটি শিশুকে উদ্ধার করেছিলেন তাঁরা৷ কেউ শিশুটির খোঁজ না করায় নিজেদের কাছেই তাকে রেখে দেন ওই দম্পতি৷ ২৪ বছর পর আশার আলো দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল লি সুনজি৷ তিনি জানান, পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল তাঁর৷ এরপর সেই দম্পতি বৃদ্ধ লি সুনজিকে নিয়ে যান ২৭ বছরের যুবক লি লেইয়ের কাছে৷ সমস্ত ঘটনা জানার পর বাবাকে দেখে কান্না ধরে রাখতে পারেনি সেও৷ গত সপ্তাহে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পায় লি সুনজি ও লি লেইয়ের বাবা-ছেলের সম্পর্ক৷ এযেন এক অদ্ভুত পরিসমাপ্তি৷ হ্যাপি এন্ডিং, ঠিক সিনেমার মতো৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.