Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

ডোকলামে ‘ড্রাগনের’ পদধ্বনি, আলোচনায় উদ্বিগ্ন থিম্পু 

ফের সংঘাতের পথে ভারত-চিন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৭, ০৫:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৭, ০৫:১৬

options
link
ডোকলামে ‘ড্রাগনের’ পদধ্বনি, আলোচনায় উদ্বিগ্ন থিম্পু  zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাপে পড়ে সাময়িকভাবে পিছু হঠলেও, ফের তৎপর ‘ড্রাগন’। সীমা বিবাদ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে অচলাবস্থা কাটলেও ডোকলামে মোতায়েন রয়েছে চিনা সেনা। যদিও বিতর্কিত এলাকায় সড়ক নির্মাণে বিরত হয়েছে চিন। কিন্তু তাৎপর্য্পূর্ণভাবে ওই জায়গা থেকে ১০-১২ কিমি উত্তরে আর একটি রাস্তা বানাচ্ছে তারা। ফলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে ভুটানের প্রতিরক্ষামহলে। এই বিষয়ে বেজিংয়ের সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনাও চালিয়েছে থিম্পু। লক্ষণীয়ভাবে এই বৈঠকটি হয়েছে দিল্লিতে।

[ফের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে উত্তর কোরিয়া!]

Advertisement

সূত্রের খবর, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতে ভুটানের রাষ্ট্রদূত ভেতসপ নামগিয়াল দেখা করেন ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত লু ঝাউ-র সঙ্গে। ডোকলাম এলাকায় লালফৌজের কার্যকলাপ নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। এই বৈঠকের ঠিক এক মাস আগে টানা কয়েক মাস মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকার পর ডোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করে দুই দেশ। ইতিমধ্যে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় ডোকলামে বিবাদিত এলাকার ১ কিলোমিটারের মধ্যে এখনও মোতায়েন রয়েছে চিনা সেনা। এমনকী তাদের গতিবিধিও বেড়েছে। এই প্রসঙ্গে চলতি মাসের শুরুতেই বিবৃতি জারি করে বিদেশ মন্ত্রক। জানানো হয়, ডোকলামের বিবাদিত এলাকায় নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছে চিন। ওই জায়গা থেকে সড়ক নির্মাণের উপকরণও সরিয়ে ফেলেছে লালফৌজ।

[চিনা হুমকির পাল্টা চাল মোদির, বেজিংকে ঘিরে চক্রব্যূহ ভারতের]

সম্প্রতি দিল্লির উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে উপগ্রহ থেকে পাওয়া বেশ কয়েকটি ছবি। ওই ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, ডোকলাম থেকে ১০-১২ কিলোমিটার উত্তরে একটি নতুন সড়ক নির্মাণ করছে চিন। চিন ও ভুটানের মধ্যে একটি বিতর্কিত এলাকা রয়েছে, ইয়াতুং নামে। সম্ভবত সেখানে মোতায়েন চিনা সেনা ছাউনির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য এই রাস্তা বানাচ্ছে তারা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন থিম্পুর উপর দিল্লির প্রভাব খর্ব করার চেষ্টা চালাচ্ছে বেজিং। ভুটানকে নিজের দিক টানতে পারলে চরম বেকায়দায় পড়বে ভারত। ফলে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে দিল্লি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.