২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ফের অবস্থান বদল! করোনা চিকিৎসায় হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারের অনুমতি দিল WHO

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: June 4, 2020 9:26 am|    Updated: June 4, 2020 9:26 am

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুরোপরি ঘুরে যাওয়া সম্ভবত একেই বলে। মাত্র সপ্তাহখানেক আগে যে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকে স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক বলা হচ্ছিল, সেই হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনকেই ফের করোনা মোকাবিলার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চলেছে WHO। COVID-19 রোগীর চিকিৎসায় ম্যালেরিয়ার এই ওষুধটি ব্যবহারে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ফলে WHO অনুমোদিত সমস্ত চিকিৎসায় ফের হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে আর কোনও বাধা রইল না।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস একটি গবেষণাপত্রে প্রকাশিত রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে জানা গিয়েছে এই ওষুধ প্রয়োগের ফলে রোগীর মৃত্যুর সম্ভাবনা বাড়ছে। তাই যতদিন না রোগীর সুরক্ষার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে, ততদিন WHO সমর্থিত করোনার কোনও চিকিৎসা পদ্ধতিতে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহার করা যাবে না।” WHO জানায়, HCQ ব্যবহারের ফলে রোগীর হৃদযন্ত্রের গতি বেড়ে যায়। যা করোনা রোগীর জন্য বিপজ্জনক। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা করেনি ব্রাজিলের মতো দেশ। 

[আরও পড়ুন: করোনায় পুড়েছিল ত্বক, চার মাসের লড়াই শেষে মৃত ইউহানের চিকিৎসক]

বুধবার এই ওষুধ ব্যবহারে সাময়িক সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হল। এবারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডিরেক্টর-জেনারেল বললেন, করোনা ট্রায়াল সংক্রান্ত কার্যকরী সমিতি এই ওষুধটির কার্যকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খতিয়ে দেখেছে। মৃত্যুর হার খতিয়ে দেখা গিয়েছে এই ওষুধটির ব্যবহার বন্ধের কোনও কারণ নেই। টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস বলেন,”গত সপ্তাহে কার্যকরী সমিতি সাময়িকভাবে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কারণ, এই ওষুধটি ব্যবহারের পর রোগীদের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যুহার খতিয়ে দেখা গিয়েছে আগের চিকিৎসা পদ্ধতিতে পরিবর্তনের কোনও কারণ নেই। তাই আমরা আগের মতোই চিকিৎসা পদ্ধতি চালিয়ে যাচ্ছি।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement