BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

হিটলারের গুপ্ত ‘কোড মেশিন’-এর হদিশ

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 30, 2016 3:07 pm|    Updated: May 30, 2016 3:08 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয় বিশ্বযুরে সময় হিটলার তাঁর জেনারেলদের জার্মান ভাষায় গোপন সংকেত পাঠাতেন একটি যন্ত্রের সাহায্যে! সেই যন্ত্র এবার ই-বে ই-কমার্স সাইটে! দাম মাত্র ৯.৫০ পাউন্ড (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯৫০ টাকা)৷ ঐতিহাসিক এই টেলিপ্রিণ্টারটিকে খুঁজে বের করেছেন ব্রিটেনের ব্লেসলে পার্কের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ কম্পিউটিংয়ের স্বেচ্ছাসেবকরা৷ এসেক্সের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় লরেঞ্জ মুদ্রণযন্ত্রটি পড়েছিল৷ এসেক্স থেকে টেলিগ্রাম যন্ত্র বিক্রির হিসাবে একটি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল৷

code-machine_web
বাকিংহ্যামশায়ারের এই সংগ্রহশালার তরফে জন উইটের বলেন, “আমার সহকর্মীরা ই-বে দেখছিলেন, আচমকাই একটি টেলিপ্রিণ্টারের ছবি চোখে পড়ে৷ তারপর তিনি সাউথ-এন্ডে যান তদারকি করতে৷ একটি শেডের তলায় মেঝের উপর জঞ্জালের স্তূপে বাক্সের মধ্যে ছিল যন্ত্রটি৷” লরেঞ্জ সিফার যন্ত্রের মাধ্যমে গোপন সংকেত লিখে পাঠানো হত সেনা আধিকারিকদের৷ সংগ্রহশালার কর্তৃপক্ষ বলে, তারা অভিভূত৷ ‘বাকিটা ফেরত দিতে হবে না বলে’ দশ পাউন্ডের নোট দিয়ে যন্ত্রটি কিনে ফেলেন স্বেচ্ছাসেবকরা৷
এমন মূল্যবান ঐতিহাসিক দলিল হাতের মুঠোয় আসায় স্বভাবতই খুব খুশি সংগ্রহশালার স্বেচ্ছাসেবকরা৷ তাঁরা অপেক্ষা করছেন আগামী ৩ জুন জার্মানে একটি বার্তা লিখে এই যন্ত্রটি ব্যবহার করে সেই সাংকেতিক বার্তা উদ্ধার করতে৷ লরেঞ্জ সিফার সংকেতটিকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁরা বুঝতে চান যন্ত্রের মাধ্যমে৷ একটি অংশ যন্ত্রটিতে ছিল না, বর্তমানে সেটি খুঁজছেন তাঁরা৷ কালো বক্সে রাখা একটি বৈদ্যুতিক মোটরের মতো দেখতে যন্ত্রটি৷ দু-পাশে দুটো শ্যাফট রয়েছে৷ এটি সিফার যন্ত্রের গিয়ার হিসাবে কাজ করছে৷ টেলিপ্রিন্টারটিকে দেখতে একেবারে টাইপরাইটারের মতো৷ জার্মান ভাষায় লেখা হত এর মাধ্যমে৷ এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সিফার যন্ত্র৷ এটির মাধ্যমে এগুলিকে সংকেতে পরিণত করা হত৷ প্রায় ১২টি চাকার মাধ্যমে এই কোড বা সংকেতটি তৈরি করা হত৷ প্রতিটি চাকা ভিন্ন ভিন্ন আকারের ছিল৷ নরওয়ের সশস্ত্র বাহিনী থেকে একটি এরকম যন্ত্র পেয়েছে সংগ্রহশালার কর্তৃপক্ষ৷ সেটি কেনা হয়েছে ঋণের মাধ্যমে৷ চূড়ান্ত গোপন তথ্যের পাঠোদ্ধার সংক্রান্ত একটি ভিডিও রয়েছে তাদের কাছে৷ এসেক্স থেকে যন্ত্রটি সংগ্রহশালায় আনার সময় ওয়ারটাইম নম্বরটি দেখেন তাঁরা৷ নরওয়ের একটি যন্ত্রের সঙ্গে জার্মান বাহিনীর এই যন্ত্রের অফিসিয়াল নম্বরটি মিলে যায়৷
ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ কম্পিউটিংয়ের অছি পরিষদের অধিকর্তা অ্যান্ডি ক্লার্ক বলেন, “খুব নিরাপদ জায়গায় রাখা ছিল এই লরেঞ্জ যন্ত্রটি৷ বিখ্যাত এনিগমা যন্ত্রের তুলনায় এটি অনেক বড়৷”

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement