২ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২ আশ্বিন  ১৪২৬  শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিষক্রিয়া? নাকি পক্ষীবধের অন্য কোনও হাতিয়ার? অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সংরক্ষিত প্রজাতির শ’খানেক পাখির অস্বাভাবিক মৃত্যু এই প্রশ্নই তুলে দিচ্ছে৷ প্রাথমিক পরীক্ষানিরীক্ষার পর পক্ষীবিশারদদের অনেকেরই অনুমান, বিষের প্রভাবেই কোরেলা নামের পাখিগুলির এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতি৷  

[আরও পড়ুন: সাবমেরিনে মাদক পাচার রুখে দিলে মার্কিন সেনা, দেখুন রোমহর্ষক অভিযানের ভিডিও]

কোরেলা আসলে কাকাতুয়া প্রজাতির একটি পাখি৷ আকারে ছোট, চেহারাতেও সামান্য হেরফের আছে৷ গত সপ্তাহ থেকে দেখা গিয়েছে, ছোট-বড় নানা আকারের কোরেলা প্রজাতির প্রচুর পাখি মরে পড়ে আছে৷ দেখে মনে হচ্ছে যেন আচমকাই আকাশ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে৷ কেউ আবার মাটিতে পড়ে ছটফট করছে, কারও আবার ঠোঁটের কাছে রক্ত৷ নয় নয় করে অন্তত ৬০টি পাখির এভাবে মৃত্যু হয়েছে৷ প্রাথমিকভাবে পক্ষীবিশারদদের অনুমান, কোনও বিষের প্রভাবেই এভাবে মৃত্যুর মুখে পড়ছে পাখির দল৷ কিন্তু কীভাবে পাখির শরীরে বিষ ঢুকছে, সে সম্পর্কে কোনও ধারণা করতে পারছেন না তাঁরা৷

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার এক পক্ষী উদ্ধার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সারা কিংয়ের কথায়, ‘দৃশ্যটা পুরো ভৌতিক সিনেমার মতো৷ সাদা পাখিগুলো পাশাপাশি সব উলটে পড়ে রয়েছে৷ ওড়ার শক্তি হারিয়েছে, ব্যথায় ছটফট করছে৷ এখানে এরকম ঘটনা আমরা আগে দেখিনি৷ মনে হচ্ছে, বিষাক্ত কোনও কিছু ওদের শরীরে ঢুকেছে৷’ সারা আরও জানিয়েছেন, ওই অবস্থাতেই কয়েকটি পাখিকে উদ্ধার করে চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু বাঁচানো যায়নি৷ পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে নড়েচড়ে বসেছে অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ মন্ত্রক৷ পাখিমৃত্যুতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ তবে ময়নাতদন্তের বিস্তারিত রিপোর্টের জন্য সপ্তাহখানেক সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে৷

[আরও পড়ুন: ‘কিডনির জন্য হৃদপিণ্ডে বিশেষ জায়গা রয়েছে’, ভুল মন্তব্যে ফের হাসির খোরাক ট্রাম্প]

লম্বা ঠোঁটের কোরেলা পাখি অস্ট্রেলিয়ায় সংরক্ষিত প্রজাতির৷ আর ছোট ঠোঁটের পাখিগুলিকে মারা একেবারেই নিষিদ্ধ৷ আইনে শাস্তি দেওয়ার বিধান আছে৷ জরিমানা কিংবা কারাবাসও হতে পারে৷ এই পরিস্থিতিতে বিষ দিয়ে পাখি মারার বিষয়টি আরও বেশি করে ভাবাচ্ছে পক্ষীবিশারদদের৷ আর তাই ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় তাঁরা৷ কারণ, যদি বোঝা যায় কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ দিয়ে পাখিগুলিকে মেরে ফেলছে, সেক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মত, এবার থেকে বিষ কেনার জন্যও লাইসেন্স চালু করা উচিত৷ নিয়ম যাই হোক, এভাবে কাকাতুয়া প্রজাতির পাখিগুলোর মৃত্যুচিত্র সত্যিই হৃদয় বিদারক!

corella

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং