২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

গুগলের ক্যাম্পাসে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ক্রেন, মৃত ৪

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: April 29, 2019 9:46 am|    Updated: April 29, 2019 9:46 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবল বেগে হাওয়ার ধাক্কায় বহুতলের মাথা থেকে ব্যস্ত রাস্তায় ভেঙে পড়ল নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ক্রেন। ভয়াবহ এই ঘটনা আমেরিকার সিয়াটলের। মার্কিন বহুজাতিক সংস্থা গুগলের ক্যাম্পাসের একটি বহুতলের ছাদ থেকে ভেঙে পড়ে ওই ক্রেনটি। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। তাঁদের মধ্যে দু’জন ওই ক্রেনেরই কর্মী। বাকি দু’জন নিচের রাস্তা দিয়ে গাড়িতে যাচ্ছিলেন।

[প্রথমবার হিন্দু বাবা ও মুসলিম মায়ের সন্তানকে জন্মের শংসাপত্র দিল আরব আমিরশাহী]

এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে গুগল। সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওই নির্মাণকাজে যুক্ত সংস্থা ভালকানের সঙ্গে এই ব্যাপারে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। এই ব্যাপারে প্রশাসনকে সব রকম সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে গুগল। দুর্ঘটনার সময় নিচের রাস্তা দিয়ে চার মাস বয়সি শিশুকন্যাকে নিয়ে গাড়িতে যাচ্ছিলেন এক বছর ২৫-এর তরুণী। সেই সময় তাঁদের গাড়ির উপরেই ভেঙে পড়ে ক্রেনটি। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে প্রাণে বেঁচে যান দু’জনেই। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর শুশ্রূষা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় আহত ২৮ বছরের আরও একজন স্থানীয় হারবারভিউ মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি। এই ঘটনায় আরও একজন চোট পেয়েছিলেন। তাঁকে শুশ্রূষার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, গুগলের ক্যাম্পাসের একটি বহুতলের মাথা থেকে ওই ক্রেনটি খুলে ফেলার চেষ্টা করছিলেন কর্মীরা। সেই সময় খুব জোরে হাওয়া বইছিল। এর মধ্যেই দু’টুকরো হয়ে ভেঙে পড়ে ক্রেনটি। একটি টুকরো ভেঙে পড়ে নিচের রাস্তায়। বন্ধ হয়ে যায় রাস্তার দু’টি লেনই। আরেকটি টুকরো বহুতলের গা ঘেঁষে নিচে পড়ে। তার অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই বহুতলটিও। আমেরিকার ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানিয়েছে, ঘটনার সময় প্রায় ২৩ মাইল বেগে হাওয়া বইছিল। সম্প্রতি অ্যামাজন, গুগলের মতো বহু সংস্থাই নতুন অফিস খুলেছে সেখানে। ফলে শহর জুড়েই বহু জায়গায় বহুতলের নির্মাণ কাজে ক্রেন ব্যবহার হচ্ছে। মার্কিন শহরগুলির মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যক ক্রেন ব্যবহার হয় সিয়াটলেই। স্বভাবতই, এই ঘটনার পর চিন্তিত প্রশাসন।

[শ্রীলঙ্কায় খতম আত্মঘাতী হামলার মূলচক্রীর বাবা ও দুই ভাই]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement